

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অবৈধভাবে গবাদিপশু অনুপ্রবেশ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন-উর রশীদ।
তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে গবাদিপশু প্রবেশ রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে বিজিবি, বাংলাদেশ পুলিশ, জেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড এবং জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
রোববার (৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোরবানির পশুর অবাধ চলাচল ও পরিবহন নিশ্চিতকল্পে প্রেস কনফারেন্স এসব কথা বলেন তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হবে এবং কোনো ধরনের অবৈধ পশু অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যেই আজকের মিটিং থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। এর ফলে দেশীয় খামারিরা সুরক্ষা পাবেন এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
তিনি আরও বলেন, গত পবিত্র ঈদুল আযহায় কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মোট প্রাপ্যতা আশা করা হয়েছিল ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। সে সময় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, প্রায় ২০ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকতে পারে।
তবে বাস্তব চিত্রে দেখা যায়, বিগত বছরে জবাইকৃত গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল ৯১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৪ টি। হিসাব অনুযায়ী ৩৩ লাখ ১০ হাজার গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থেকে যায়।
এ তথ্য প্রমাণ করে যে, দেশে কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি নেই। আমাদের দেশীয় খামারিরা এখন এতটাই সক্ষম হয়েছেন যে, নিজেদের উৎপাদিত পশু দিয়েই জাতীয় চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই- এ বছর কোরবানির পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। একসময় কোরবানির মৌসুমে বিদেশ থেকে পশু আসার ওপর নির্ভর করতে হতো। কিন্তু বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক নীতি সহায়তা, খামারিদের প্রণোদনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশ আজ আত্মনির্ভরশীল।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, , প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন