

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে জনগণের মতামত জানতে গণভোট আয়োজনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে গণভোট কবে হবে—এ নিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।
রবিবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, “সব দলই গণভোটের পক্ষে, তবে সময় নিয়ে মতভেদ আছে। বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চায় নির্বাচনের দিনই আলাদা ব্যালটে গণভোট হোক, আর জামায়াত চায় নির্বাচনের আগে।”
তিনি আরও জানান, আগামী ৮ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পুনরায় বৈঠক হবে এবং ১০ অক্টোবরের মধ্যে সরকারের কাছে একাধিক সুপারিশ পাঠানো হবে।
বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট নেওয়া যেতে পারে। আলাদা ব্যালটে জনগণ তাদের মতামত জানাবে।”
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা চাই গণভোট নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত হোক, যাতে নির্বাচনের সময় কোনো জটিলতা না হয়। নভেম্বর বা ডিসেম্বরের মধ্যেই এটি সম্পন্ন করা সম্ভব।”
এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, “নির্বাচনের দিন সাধারণ ভোটের পাশাপাশি গণভোটের ব্যালটও থাকবে। এতে জনগণ সনদের আইনি ভিত্তির পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত জানাবে।”
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানান, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রায় ৮০ শতাংশ ঐকমত্য গড়ে উঠেছে। বাকি বিষয়গুলো কমিশন সমাধান করবে।”
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি-ও নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের পক্ষে মত দেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে এর আগে তিনবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে—দু’টি প্রশাসনিক ও একটি সাংবিধানিক গণভোট।
মন্তব্য করুন