

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন ও ভাতার সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন আজ বুধবার বিকাল ৫টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেবে বেতন কমিশন।
কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করবেন। এ সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত থাকবেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থ উপদেষ্টা। তবে প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়ার আগে এর বিস্তারিত বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, পে-স্কেলের প্রতিবেদন বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে। এটি এই সরকারের সময়ে বাস্তবায়ন হবে কি না- তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই এমন একটি প্রস্তাব তৈরি হওয়াকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন তিনি।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি করা প্রস্তাবে সরকারি চাকরিজীবীরা সন্তুষ্ট হবেন।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বেতন কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন কাঠামো আংশিক বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে। পুরো কাঠামো কার্যকরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, যা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। অপরদিকে সর্বোচ্চ ধাপে বর্তমানে ৭৮ হাজার টাকা বেতন থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও রয়েছে।
এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো আংশিক বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বেতন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, পুরো কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় নিচের দিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
পে কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। এটি বাড়িয়ে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হবে। তবে ঈদ বোনাস আগের মতোই বহাল থাকবে।
মন্তব্য করুন

