

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে এখনই পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে মনোযোগ দিতে হবে, যাতে দেশ টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন পথ ধরে এগোতে পারে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে তিনি অ্যানথ্রোপোসিন ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান কার্ল পেজ ও তার সহকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় এ মন্তব্য করেন।
ড. ইউনূস বলেন, “বিশ্বের ঘনবসতিপূর্ণ ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল থাকা আর সম্ভব নয়। এখন সময় এসেছে বিকল্প পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রযুক্তি গ্রহণের। সৌরবিদ্যুৎ বৃহৎ পরিসরে স্থাপন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
কার্ল পেজ জানান, পরবর্তী প্রজন্মের পারমাণবিক প্রযুক্তি ও হাইব্রিড সিস্টেমে অগ্রগতি সম্ভব, যা শূন্য-কার্বন বিদ্যুৎ সরবরাহে সক্ষম।
তিনি বলেন, বার্জ-ভিত্তিক পারমাণবিক চুল্লি সাশ্রয়ী, কম রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন এবং বাংলাদেশের শিল্প খাতকে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে।
পেজ আরও উল্লেখ করেন, পারমাণবিক শক্তি এখন আর বিশ্বব্যাংক বা বড় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর জন্য নিষিদ্ধ নয়।
এমনকি ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশ ইতোমধ্যেই ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তিনি বাংলাদেশকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে নেতৃত্ব দেয়ার সম্ভাবনাপূর্ণ দেশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ড. ইউনূস জানান, অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি একটি নতুন জাতীয় বিদ্যুৎ নীতি প্রণয়ন করেছে, যেখানে সৌর জ্বালানির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তবে পারমাণবিক বিকল্প নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পূর্ণ গবেষণা ও সম্ভাব্যতা যাচাই অপরিহার্য। তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা দ্রুত কমাতে হবে এবং এই প্রযুক্তি নিয়ে গভীর গবেষণা করা উচিত।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং সরকারের সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।
মন্তব্য করুন

