

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আইনগত কোনো ঝামেলা নেই, সংসার ভাঙার ভয়ও নেই, তবুও আজকাল অনেক দম্পতির জীবনে জায়গা করে নিচ্ছে এক ধরনের ‘ডিভোর্স’। যাকে বলা হচ্ছে ‘ফুড ডিভোর্স’ (Food Divorce)। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একই ছাদের নিচে পারস্পরিক ভালোবাসা বজায় রেখেও নিজেদের রুচি ও প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা খাবার খাওয়ার নামই ফুড ডিভোর্স।
সংসারের বাঁধন না ভেঙে কেন বাড়ছে এই নতুন অভ্যাসের জনপ্রিয়তা?
ফুড ডিভোর্স ঠিক কী?
আগে পরিবারে যা রান্না হতো, সবাইকে সেটাই মেনে নিতে হতো। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক দম্পতিরা নিজেদের খাবারের ক্ষেত্রে স্বাধীন। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গেই বাস করছেন, কিন্তু ডাইনিং টেবিলে তাদের খাবারের মেন্যু আলাদা। একজন হয়তো তেল-মশলা ছাড়া হালকা খাবার খাচ্ছেন, অন্যজন উপভোগ করছেন পছন্দের মশলাদার পদ।
কেন বাড়ছে এই ট্রেন্ড?
স্বাস্থ্য সচেতনতা ও ডায়েট: বর্তমানে অনেকেই নিজস্ব ডায়েট চার্ট মেনে চলেন। কেউ প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার পছন্দ করেন, তো কেউ হয়তো একদম কম ক্যালরির খাবার খান। সঙ্গী যেন নিজের পছন্দের খাবার ত্যাগ করতে বাধ্য না হন, সেজন্য এই পথ বেছে নেওয়া।
কাজের ব্যস্ততা ও ভিন্ন শিফট: নাইট শিফট কিংবা কাজের ভিন্ন সময়ের কারণে একজনের জন্য অন্যজনের দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হয় না। অনাহারে অপেক্ষা না করে নিজের সুবিধামতো খেয়ে নেওয়াই স্বাস্থ্যকর বলে মনে করছেন অনেকে।
সুবিধার পাশাপাশি লক্ষণীয় দিক
সুবিধা: খাবার নিয়ে প্রতিদিনের অকারণ ঝামেলা, তর্ক ও অশান্তি একনিমেষে দূর হয়।
সতর্কতা: একসঙ্গে বসে খাওয়ার মাধ্যমে যে পারস্পরিক গল্পগুজব ও বন্ধন তৈরি হতো, তা যেন হারিয়ে না যায়।
খাবারের মেন্যু আলাদা হতেই পারে, তবে সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখতে অন্তত সপ্তাহে একদিন বা ছুটির দিনে একসঙ্গে বসে খাওয়ার অভ্যাস রাখা প্রয়োজন।


