

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কৃমির সংক্রমণ শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও বড়রাও এতে আক্রান্ত হতে পারেন। অপরিষ্কার খাবার ও পানি, মাটিতে খালি পায়ে হাঁটা, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং হাত পরিষ্কার না রাখার কারণে কৃমির সংক্রমণ হতে পারে। তাই ওষুধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ।
কৃমির সংক্রমণ হলে সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের উপসর্গ দেখা যায় না। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ হলো-
কিছু ধরনের কৃমির সংক্রমণে জটিলতাও দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘদিন উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
কৃমিনাশক ওষুধ কত ঘন ঘন খেতে হবে, তা বয়স, কৃমির ধরন ও ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে কৃমির প্রকোপ বেশি এমন এলাকায় প্রতি ছয় মাস অন্তর কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শই সবচেয়ে নিরাপদ।
বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কিংবা বারবার কৃমির সমস্যা হচ্ছে এমন কারও ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
অ্যালবেনডাজল বা মেবেনডাজলের মতো ওষুধ বিভিন্ন ধরনের কৃমির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। তবে কোন ওষুধ, কী মাত্রায় এবং কতদিন খেতে হবে, তা কৃমির ধরন ও রোগীর বয়স অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
বারবার কৃমির ওষুধ খাওয়ার বদলে সংক্রমণের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। বিশেষ করে তীব্র পেটব্যথা, রক্তস্বল্পতা, দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া, ওজন কমে যাওয়া বা মলে কৃমি দেখা গেলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।


