শুক্রবার
২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রশাসনের অভিযানে ২ কোটি টাকার নিম্মমানের কনডম জব্দ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৬ এএম
প্রশাসনের অভিযানে ২ কোটি টাকার কনডম জব্দ। ছবি: সংগৃহীত
expand
প্রশাসনের অভিযানে ২ কোটি টাকার কনডম জব্দ। ছবি: সংগৃহীত

সাভারের আশুলিয়ায় ভুয়া পত্রিকা অফিসের আড়ালে পরিচালিত একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক দুই কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ ও নিম্নমানের ভারতীয় কনডম ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় সাভার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাইপাইল এলাকায় ভুয়া সংবাদপত্রের সাইনবোর্ড ও একাধিক সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ের আড়ালে একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধ ও নকল জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী মোড়কজাত ও মজুত করা হচ্ছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ কনডম ও অন্যান্য জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের কাঁচামাল ভারত থেকে আমদানি করা হতো বলে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট ও সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠানটি কোনো অনুমোদিত বা বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়। এখানে অবৈধভাবে নিম্নমানের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী মোড়কজাত ও মজুত করা হচ্ছিল। এসব পণ্যের অধিকাংশই পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা হতো। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। পাশাপাশি পণ্যের মান যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় এগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি জানান, এর আগে একই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং ভবনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার শর্তে সিলগালা খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু মালিকপক্ষ নিয়ম না মেনে গোপনে পুনরায় যৌন উত্তেজক ওষুধ ও নকল কনডম প্রস্তুত ও মোড়কজাতসহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

ইউএনও সাইফুল ইসলাম আরও জানান, অভিযান শেষে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মালামাল ট্রাকে তুলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের মূল অভিযুক্ত ও কর্ণধার শাহাদত হোসেন শান্তু অভিযানের সময় ঢাকায় অবস্থান করায় তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এ সময় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাও পালিয়ে যায়।

জড়িতদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও সংশ্লিষ্ট আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ইউএনও।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন