

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


তেলেগু চলচ্চিত্রের প্রবীণ ও গুণী অভিনেতা জিভি নারায়ণ রাও আর নেই। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতের হায়দরাবাদে বুধবার রাতে ৭৩ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন সহশিল্পী ও অভিনেত্রী কারাতে কল্যাণী।
গুণী এই অভিনেতার মৃত্যুতে তেলেগু চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) হায়দরাবাদের বৈকুণ্ঠ মহাপ্রস্থান শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।
কে. বালচন্দরের ১৯৭৬ সালের আলোচিত চলচ্চিত্র ‘আন্তুলেনি কথা’ দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় জিভি নারায়ণ রাওয়ের। প্রথম সিনেমাতেই অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি।
প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা। তেলেগু সিনেমায় মুখ্য অভিনেতা হিসেবে তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ১৯৭৭ সালের ‘ওকা উরি কথা’, ১৯৮১ সালের ‘উ রুকিচ্ছিনা মাটা’ এবং ১৯৮২ সালের ‘মঞ্চু পাল্লাকি’।
প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রেও অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন জিভি নারায়ণ রাও। ‘চিলকমা চেপ্পিন্দি’, ‘মুথিয়ালা পাল্লাকি’ ছাড়াও চিরঞ্জীবী অভিনীত জনপ্রিয় ‘গ্যাং লিডার’ ও ‘হিটলার’ সিনেমায় তার অভিনয় দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে চিরঞ্জীবী ও রজনীকান্তের মতো দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার শীর্ষ তারকাদের সঙ্গেও অভিনয় করেছেন তিনি।
অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র প্রযোজনাতেও যুক্ত ছিলেন জিভি নারায়ণ রাও। তার প্রযোজনায় নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘চেত্তানিকি কাল্লু লেভু’ (১৯৮১), ‘দেবাস্তকুদু’ (১৯৮৪) এবং ‘যমুদিকি মগুডু’ (১৯৮৮)।
শুধু বড় পর্দায় নয়, ছোট পর্দাতেও পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। ‘পাসুপু কুমকুমা’ ও ‘সুন্দরকাণ্ড’-এর মতো জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে আলাদা জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
প্রায় পাঁচ দশকের কর্মজীবনে অভিনয় ও প্রযোজনার মাধ্যমে তেলেগু বিনোদন জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন জিভি নারায়ণ রাও। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সহকর্মী ও চলচ্চিত্রাঙ্গনের অনেকেই।
সূত্র: এনডিটিভি


