বুধবার
০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চেহারা সুন্দর হলেই কর্মক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা? যা বলছে গবেষণা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম আপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
কর্মক্ষেত্রে নারী
expand
কর্মক্ষেত্রে নারী

আমাদের সমাজে রূপ বা বাহ্যিক সৌন্দর্য শ্রমবাজারে দুইভাবে প্রভাব ফেলে। একদিকে এটা যেমন বাড়তি সুবিধা এনে দেয়, অন্যদিকে আবার কিছু ক্ষেত্রে বিপদেও ফেলে।

প্রথমত, সৌন্দর্যের বাড়তি সুবিধা (বিউটি প্রিমিয়াম):

আমাদের অবচেতন মনে একটা ধারণা কাজ করে যে, দেখতে সুন্দর মানুষরা বুঝি কাজেও অনেক দক্ষ আর যোগ্য হন। এই ধারণার কারণে আকর্ষণীয় চেহারার মানুষরা কর্মক্ষেত্রে শুরুতেই সবার কাছ থেকে একটা ইতিবাচক আচরণ পান। এর ফলে তারা অন্যদের চেয়ে সহজে চাকরি পান বা বেশি বেতন পেয়ে থাকেন, যাকে বলা হয় 'বিউটি প্রিমিয়াম'। একারণে অনেক মানুষ অযোগ্য হলেও সবার প্রাধান্য পেয়ে থাকেন।

দ্বিতীয়ত, সৌন্দর্যের মাশুল (বিউটি পেনাল্টি):

আবার সব জায়গায় কিন্তু সৌন্দর্য সুবিধা দেয় না, উল্টো ক্ষতিও করতে পারে। সমাজে ছেলে বা মেয়েদের রূপ নিয়ে কিছু ধারণা থাকে। এখন কোনো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তি যদি এমন কোনো পেশায় যান, যা সাধারণত তার লিঙ্গের মানুষেরা করে না (যেমন- পুরুষপ্রধান কোনো কঠিন কাজে একজন খুব সুন্দরী নারী), তখন মানুষ ধরে নেয় যে বাহ্যিক রূপের কারণে কাজ পেয়েছেন। হয়তো তার কাজের যোগ্যতা কম।

এই মানসিকতার কারণে তারা বৈষম্য বা আর্থ-সামাজিক ক্ষতির মুখে পড়েন, যা হলো 'বিউটি পেনাল্টি'।আবার অনেকসময় এমনও হয় যে সুন্দর ও আকর্ষণীয় ব্যাক্তির কিছুই করতে হচ্ছে না, তাকে দেখেই অনেক মানুষ ইনসিকিউরিটিতে ভোগেন। অযথা তাকে নিয়ে চলে পরচর্চা আর নিন্দা।

কাজের পারফরম্যান্সের ভূমিকা:

গবেষণায় দেখা গেছে, যতক্ষণ পর্যন্ত একজন মানুষের কাজ বা যোগ্যতা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য না থাকে, ততক্ষণ মানুষ তার চেহারার ওপর ভিত্তি করে ভালো বা খারাপ ধারণা তৈরি করে। কিন্তু যখনই ওই ব্যক্তির কাজের আসল পারফরম্যান্স বা দক্ষতার প্রমাণ সামনে আসে, তখন সৌন্দর্যের এই ভালো বা খারাপ- দুই ধরণের প্রভাবই কমে যায়। অর্থাৎ, আসল কাজের যোগ্যতা প্রকাশ পেলে রূপের কারণে বাড়তি সুবিধা পাওয়া বা বৈষম্যের শিকার হওয়া- দুইটাই কমে আসে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন