

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শহরের ব্যস্ত জীবনে সবাই চাই ঝামেলা কমানো। তার অন্যতম হাতিয়ার প্রযুক্তি, বিশেষ করে ফ্রিজ। সাধারণত ফ্রিজ থাকলে মাছ এবং অন্যান্য খাবার দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। তবে প্রশ্ন হলো, মাছ কতদিন ফ্রিজে রাখলে তা নিরাপদ এবং পুষ্টিকর থাকে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাছ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সঠিকভাবে প্যাক করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মাছগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে একটি এয়ারটাইট ব্যাগে মোড়ানো উচিত। এতে বাতাস প্রবেশ না করে মাছ দীর্ঘদিন টাটকা থাকে।
ফ্রিজে রাখার সময় কিছুটা সতর্কতা দরকার। তাজা মাছ, চিংড়ি, স্কুইড বা ছোট ধরনের সামুদ্রিক মাছ সাধারণভাবে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে রান্না করা নিরাপদ। বড় মাছ যেমন টুনা, স্যামন, ট্রাউট বা সোর্ডফিশ তুলনামূলকভাবে তিন থেকে পাঁচ দিন ভালো থাকে। তবে তৈলাক্ত মাছ যেমন ম্যাকারেল বা সার্ডিন ফ্রিজে তিন দিনের বেশি রাখা ঠিক নয়। বেশি দিন রাখলে স্বাদ, গন্ধ এবং নিরাপত্তা সবই খারাপ হতে পারে।
যদি দুই দিনের মধ্যে রান্নার পরিকল্পনা না থাকে, মাছ ফ্রিজারের মধ্যে রাখা উচিত। ফ্রিজারে রাখার আগে মাছকে ফয়েল বা ফ্রিজার পেপারে মোড়ানো ভালো। রান্নার আগে ধীরে ধীরে গলানো উত্তম, যাতে স্বাদ এবং গঠন ঠিক থাকে।
রান্না করা মাছও ফ্রিজে রাখা যায়, তবে দুই থেকে তিন দিনের বেশি রাখার পরামর্শ নেই। দীর্ঘ সময় রাখলে স্বাদ নষ্ট হয় এবং খাবারজনিত ঝুঁকি বাড়ে।
একটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো ফ্রিজে মাছ রাখলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে প্রোটিন, চর্বি এবং ভিটামিন ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তবে একবার গলানো মাছ আবার ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়, এতে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।
মন্তব্য করুন

