

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সহজলভ্য ও তুলনামূলক কম দামের কারণে পাঙাশ মাছ অনেক পরিবারের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় থাকে। তবে এই মাছ খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত কি না—এ নিয়ে নানা মতভেদ রয়েছে। কেউ বলেন এতে চর্বি বেশি, আবার কেউ পুষ্টিগুণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। ফলে অনেকেই পাঙাশ মাছ খাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন।
পুষ্টিবিদদের মতে, মাছটি যদি ভালো উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং সঠিকভাবে রান্না করা হয়, তাহলে পাঙাশ মাছ শরীরের জন্য উপকারও করতে পারে।
পাঙাশ মাছের পুষ্টি উপাদান:
এই মাছের মধ্যে রয়েছে মানসম্মত প্রোটিন, শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, উপকারী আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
এই উপাদানগুলো শরীরের গঠন উন্নত করা, হাড় শক্ত রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
পাঙাশ মাছ খাওয়ার উপকারিতা
হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভালো চর্বি রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
পেশি ও কোষ গঠন: প্রোটিন পেশি তৈরি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখে।
হাড় ও দাঁতের শক্তি: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত করে। গর্ভাবস্থায় উপকারী: ওমেগা-৩ গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর বিকাশে সহায়তা করতে পারে।
ইমিউনিটি বাড়ায়: খনিজ উপাদান ও পুষ্টিগুণ শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা সক্রিয় রাখে।
কোন পরিস্থিতিতে পাঙাশ মাছ ক্ষতির কারণ হতে পারে?
পুষ্টিবিদ মাহিনুর ফেরদৌস জানান, কিছু ক্ষেত্রে পাঙাশ মাছ চাষে অতিরিক্ত কৃত্রিম খাবার, ওষুধ বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। আবার সংরক্ষণের সময় ফরমালিন বা অনিরাপদ প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ঠিকমতো পরিষ্কার না করা বা অপর্যাপ্তভাবে রান্না করলেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নিরাপদভাবে পাঙাশ মাছ খাওয়ার উপায়:
বিশ্বাসযোগ্য ও পরিচিত উৎস থেকে মাছ কিনুন। সম্ভব হলে নদীর পাঙাশ বা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ করা মাছ বেছে নিন ভালোভাবে ধুয়ে সম্পূর্ণ রান্না করে খান।
মন্তব্য করুন

