

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকায় অনলাইন পর্নগ্রাফি ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত গ্রুপ, তাদের প্রশাসক (অ্যাডমিন) এবং অর্থ লেনদেনকারীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১৯ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন স্বপ্রণোদিত হয়ে এ সংক্রান্ত আদেশ দেন।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘টেলিগ্রামে হাজারো তরুণীর নগ্ন ভিডিও বিক্রি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের অনলাইন সংস্করণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। বিষয়টি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট হওয়ায় আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(সি) ধারায় এটি আমলে নেয়।
প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফেসবুক ও টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন গ্রুপ পরিচালনা করে অর্থের বিনিময়ে ব্যক্তিগত, আপত্তিকর ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে নারীদের গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও মানহানির মতো গুরুতর অপরাধ ঘটছে।
আদালত মনে করেন, এই কর্মকাণ্ড পর্নগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এবং দণ্ডবিধির ৪২০, ৪১৯, ৪০৬ ও ৫০৬ ধারাসহ অন্যান্য আইনের পরিপন্থী।
তাই আদালত ডিএমপি ও ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-পুলিশ কমিশনারকে একজন দক্ষ তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ দেন, যাতে তারা অনলাইন পর্নগ্রাফি সংশ্লিষ্ট গ্রুপ, অ্যাডমিন এবং আর্থিক লেনদেনকারী প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন।
এ ছাড়া, আদালত তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন এবং প্রতি ১৫ দিন অন্তর তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন
