

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে আক্রান্ত ওই নারী গত ২১ জানুয়ারি নিপাহ ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হন। শুরুতে জ্বর ও মাথাব্যথা দেখা দেয়, পরে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, দিকভ্রান্তি ও খিঁচুনির মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়। এক সপ্তাহ পর তার মৃত্যু হয় এবং মৃত্যুর একদিন পর পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়।
সংস্থাটি জানায়, ওই নারীর বয়স ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল। অতীতে তার কোনো ভ্রমণ ইতিহাস না থাকলেও কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন তিনি।
এছাড়া ওই মৃত নারীর সংস্পর্শে আসা ৩৫ জন ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয় বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে সবার পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এছাড়া চলতি বছর ভারতেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরগুলোতে জোরদার করা হয়েছে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা।
প্রসঙ্গত, নিপাহ ভাইরাস সাধারণত বাদুড় দ্বারা দূষিত ফল বা খাদ্যপণ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি কোনো ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়।
ডব্লিউএইচও বলেছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে চারটি পরীক্ষাগারে নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর ঘটনা রিপোর্ট করা হয়। বর্তমানে এই সংক্রমণের জন্য নির্দিষ্ট কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা টিকা নেই।
মন্তব্য করুন

