

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কিডনিতে পাথর এখন শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। শুরুতে লক্ষণগুলো শনাক্ত করা গেলে অনেক ক্ষেত্রে জীবনযাপনে পরিবর্তন ও সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে জটিলতা এড়ানো সম্ভব। তবে উপসর্গগুলো অবহেলা করলে সমস্যা গুরুতর হয়ে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
ভারতের দিল্লির ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ইউরোলজিস্ট অনিল কুমার বার্ষ্ণেয় কিডনিতে পাথরের কয়েকটি সাধারণ লক্ষণের কথা তুলে ধরেছেন।
পিঠ বা কোমরের তীব্র ব্যথা: কিডনিতে পাথর হলে সাধারণত কোমরের নিচের অংশ বা পিঠের এক পাশে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। অনেক সময় এই ব্যথা তলপেট কিংবা কুঁচকির দিকেও ছড়িয়ে পড়ে। ব্যথা এতটাই তীব্র হতে পারে যে স্বাভাবিকভাবে হাঁটা বা দাঁড়িয়ে থাকাও কঠিন হয়ে যায়।
প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া: পাথর মূত্রনালিতে চলে এলে প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ সমস্যাকে ডিসইউরিয়া বলা হয়। এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
প্রস্রাবে রক্ত: কিডনিতে পাথরের কারণে অনেকের প্রস্রাবে রক্ত দেখা যেতে পারে। রক্তের কারণে প্রস্রাবের রং লাল, গোলাপি বা বাদামি হতে পারে। কখনো কখনো রক্তের পরিমাণ এত কম থাকে যে তা খালি চোখে বোঝা যায় না।
বমি বমি ভাব বা বমি: কিডনির তীব্র ব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি ও পরিপাকতন্ত্রের স্নায়ুর পারস্পরিক সংযোগের কারণেই এমন উপসর্গ দেখা দেয়।
জ্বর ও কাঁপুনি: কিডনিতে পাথরের সঙ্গে সংক্রমণ যুক্ত হলে জ্বর ও কাঁপুনি হতে পারে। বিশেষ করে জ্বরের সঙ্গে তীব্র ব্যথা থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত, কারণ এটি গুরুতর সংক্রমণের ইঙ্গিতও হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা দিলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
