

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অপসারণ করা হচ্ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরে জাতীয় গণমাধ্যম এনপিবি নিউজে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হলে, ভুক্তভোগীদের ফোন করে এনে ইমপ্লান্ট অপসারণ করেন দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর গত সোমবার (২০ জুলাই) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগের মতো শুধু গ্রুপ মেসেজ না দিয়ে ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে আসতে অনুরোধ করেন। পরে তাদের ইমপ্লান্ট অপসারণ সেবা প্রদান করা হয়।
এক ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘আমার ইমপ্লান্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এটি খুলে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু দীর্ঘদিন পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে গিয়েও ইমপ্লান্ট খুলতে পারিনি। পরে হঠাৎ করেই ডাক্তার সুজন চন্দ্র সাহা আমাকে ফোন করে ডেকে এনে ইমপ্লান্ট খুলে দেন। তবে এর আগে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাকে নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসার ডা. সুজন চন্দ্র সাহার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
হবিগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ‘ইমপ্লান্ট অপসারণ আমাদের নিয়মিত দায়িত্ব। প্রতি মাসেই এ সেবা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত তারিখ থাকবে। আমি ডা. সুজন চন্দ্র সাহাকে নির্দেশ দিয়েছি, মাসে একটি নয়, দুটি তারিখ নির্ধারণ করতে, যাতে মানুষের ভোগান্তি কমে। বিষয়টি আমি নিজেই তদারকি করছি। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা আর হবে না।’
প্রসঙ্গত, ১৭ জুলাই এনপিবি নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়, যেসব নারীর গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তারা নির্ধারিত সময়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে গিয়ে চিকিৎসককে না পেয়ে বারবার ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছিলেন। ফলে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি তারা চরম ভোগান্তির শিকার হন।
এনপিবিতে এই নিউজ প্রকাশের পর ইমপ্লান্ট অবসারণ সেবার উদ্যোগ নেয় স্থানীয় পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
