

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার অত্যন্ত মরণঘাতী একটি রোগ, যা প্রাথমিক অবস্থায় প্রায় দেখাই যায় না। এর লক্ষণগুলো এতই সাধারণ যে স্বাভাবিক পেটের সমস্যা ভেবে অনেকেই ভুল করেন। অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের সবচেয়ে বিপজ্জনক রূপ হলো ‘প্যানক্রিয়াটিক ডাকটাল অ্যাডিনোকার্সিনোমা’
এটি চুপিচুপি শরীরে বাড়ে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একবার শরীরে ছড়িয়ে পড়লে এই ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই রোগের বিস্তার রোধে সঠিক সময়ে সচেতন হওয়া এবং জীবনযাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি।
বারবার বদহজম ও গ্যাসের সমস্যা এই রোগের অন্যতম প্রাথমিক সংকেত। ভুলভাল খেলে সাময়িক হজমের গণ্ডগোল হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু ওষুধ খাওয়ার পরেও যদি বারবার বদহজম, বা পেটে অস্বস্তি ফিরে আসে, তবে তা চিন্তার বিষয়।
এছাড়া অগ্ন্যাশয়ে টিউমার হলে তা পিত্তনালিতে চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে বারবার জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দেয়। সেই সাথে ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস বা অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হলে পেটের উপরিভাগে মারাত্মক ব্যথা শুরু হয়, যা আস্তে আস্তে পুরো পেট, পিঠ এবং বুক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি কিছু খেলেই বমি হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।
যাদের অতিরিক্ত ওজন, দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস বা কোলনের জটিলতা আছে, তাদের এই রোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এছাড়া পিত্তথলিতে বারবার পাথর হওয়ার ইতিহাস থাকলে কিংবা পাকস্থলী বা পিত্তথলিতে আগে কোনো অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলেও বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে শুরুতেই লক্ষণগুলো চেনা জরুরি, নাহলে তা রোগীর জীবনের জন্য চরম বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।



