শনিবার
১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডোপ টেস্টে পজিটিভ বা নেগেটিভ হলে কী হয়?

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
এনপিবি কোলাজ
expand
এনপিবি কোলাজ

ডোপ টেস্ট (Dope Test) বা মাদক পরীক্ষা মূলত কোনো ব্যক্তির শরীরে মাদক বা নিষিদ্ধ ড্রাগের উপস্থিতি আছে কিনা তা নিশ্চিত করার একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া।

সাধারণত সরকারি চাকরি, চালকদের লাইসেন্স, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বা আইনগত জটিলতায় এই পরীক্ষা করা হয়। ডোপ টেস্টের ফলাফল সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে: পজিটিভ (Positive) এবং নেগেটিভ (Negative)।

১. ডোপ টেস্ট পজিটিভ (Positive) হলে কী হয়?

ডোপ টেস্টের ফলাফল পজিটিভ আসার অর্থ হলো- পরীক্ষাধীন ব্যক্তির শরীর বা নমুনায় (যেমন: মূত্র, রক্ত বা চুল) নির্দিষ্ট কোনো মাদক বা নিষিদ্ধ উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর ফলে ব্যক্তিভেদে বিভিন্ন ধরনের আইনি, পেশাগত ও সামাজিক জটিলতা তৈরি হয়।

চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে: সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির চূড়ান্ত নিয়োগ আটকে যায়। কারণ বর্তমানে চাকরিতে যোগদানের পূর্বে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কর্মরত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে: কর্মরত কোনো ব্যক্তির টেস্ট পজিটিভ হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত, চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ বা বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়।

ড্রাইভিং লাইসেন্স: চালকদের ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল বা প্রত্যাখ্যান করা হয়, কারণ মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

ক্রীড়াবিদদের ক্ষেত্রে: খেলোয়াড়দের ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে (যাকে ডোপিং বলা হয়) নির্দিষ্ট মেয়াদে বা আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে এবং অর্জিত পদক বা পুরস্কার কেড়ে নেওয়া হয়।

আইনি জটিলতা: ক্ষেত্রবিশেষে প্রচলিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী সাজা বা জরিমানার বিধানও রয়েছে।

ছবি সংগৃহীত

২. ডোপ টেস্ট নেগেটিভ (Negative) হলে কী হয়?

ডোপ টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসার অর্থ হলো- ওই ব্যক্তির শরীরে কোনো প্রকার অবৈধ বা নিষিদ্ধ মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এটি একজন ব্যক্তির সুস্থ ও মাদকহীন জীবনযাপনের প্রমাণ। এর ফলাফলগুলো হলো:

নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন: চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের চূড়ান্ত ধাপ সহজ ও সফল হয়।

লাইসেন্স প্রাপ্তি: চালকরা কোনো বাধা ছাড়াই তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে যান বা নবায়ন করতে পারেন।

পেশাগত নিরাপত্তা: কর্মরত ব্যক্তিরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই নিজের কর্মক্ষেত্রে সুনাম ধরে রাখতে পারেন।

অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়া কিছু বৈধ ওষুধের (যেমন: কড়া ব্যথানাশক বা কাশির সিরাপ) কারণেও সাময়িকভাবে ফলাফল পজিটিভ আসতে পারে।

একে 'ফলস পজিটিভ' বলে। এমনটি হলে প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ল্যাব কর্তৃপক্ষের কাছে পুনরায় পরীক্ষার (Confirmatory Test) আবেদন করা যায়।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
Norway VS England
Scheduled
12 Jul, 03:00 AM
VS
World Cup