

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চটজলদি ফর্সা হওয়া, ব্রণ দূর করা কিংবা বয়সের ছাপ মোছার নানা ‘ডিআইওয়াই’ (DIY) বা ঘরে তৈরি টোটকার ভিড়। তবে সব প্রাকৃতিক উপাদানই ত্বকের জন্য নিরাপদ নয়। ভুল টোটকা ব্যবহারে ত্বকের নিজস্ব সুরক্ষা স্তর নষ্ট হতে পারে, অ্যালার্জি বা দাগ ছোপ বাড়তে পারে, এমনকি ত্বক স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্তও হতে পারে।
যে ৫টি জনপ্রিয় ঘরোয়া টোটকা ব্যবহারে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা কড়া নিষেধ করেন:
১. ত্বক ফর্সা করতে লেবুর রস
লেবু অত্যন্ত অ্যাসিডিক। এটি ত্বকে লাগালে জ্বালাপোড়া হতে পারে, ত্বক পুড়ে যেতে পারে এবং রোদে গেলে ক্ষতিকারক রোদ-পোড়া দাগ (হাইপারপিগমেন্টেশন) তৈরি হতে পারে।
২. ব্রণে টুথপেস্ট লাগানো
টুথপেস্ট ব্রণ সাময়িক শুষ্ক করলেও এতে থাকা মেনথল বা অ্যালকোহল ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক ও লাল করে ফেলে। এতে ব্রণ কমে তো নয়ই, বরং আরও বেড়ে যায়।
৩. বেকিং সোডার স্ক্রাব ও কাঁচা রসুন
বেকিং সোডা: এর ক্ষারীয় গুণ ত্বকের স্বাভাবিক অ্যাসিড ব্যালেন্স নষ্ট করে ত্বককে খসখসে ও শুষ্ক করে ফেলে।
রসুন: রসুনে ব্যাকটেরিয়ারোধী গুণ থাকলেও কাঁচা রসুন সরাসরি ত্বকে দিলে চামড়া রাসায়নিকভাবে পুড়ে (কেমিক্যাল বার্ন) যেতে পারে এবং ফোসকা পড়তে পারে।
৪. ঘরে তৈরি সানস্ক্রিন
প্রাকৃতিক তেল দিয়ে ঘরে সানস্ক্রিন বানানো সম্ভব নয়। কারণ সূর্য থেকে সুরক্ষা পাওয়ার বিষয়টি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে। ঘরে তৈরি সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়া, ছোপ ছোপ দাগ পড়া ও দ্রুত বয়সের ছাপ পড়ার ঝুঁকি থাকে।
৫. কফি বা চিনির দানাদার স্ক্রাব
কফি বা চিনির মতো শক্ত উপাদান দিয়ে মুখ ঘষলে ত্বকে খালি চোখে দেখা যায় না এমন অসংখ্য সূক্ষ্ম ক্ষত (মাইক্রো-টিয়ার্স) তৈরি হয়। এতে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং লালচে ভাব দেখা দেয়।
নিরাপদ উপায়ে ত্বকের যত্ন ‘প্রাকৃতিক’ মানেই নিরাপদ নয়। না বুঝে ভাইরাল কোনো ট্রেন্ড ফলো করলে পরবর্তীতে চিকিৎসকের পেছনে বাড়তি টাকা গুনতে হতে পারে।
এর বদলে সহজ ৪টি ধাপে ত্বকের যত্ন নিন:


