

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত প্রকাশনাগুলোর একটি হলো সাংবাদিক রবি আরমানের লেখা বই ‘সালমান শাহ: নক্ষত্রের আত্মহত্যা’।
বইটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে তুমুল আলোড়ন তৈরি হয়েছিল, আর কিছুদিনের মধ্যেই তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
১৯৯৭ সালে প্রকাশিত এ বইয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়-যা পাঠক ও ভক্তদের মধ্যে প্রবল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
প্রকাশের পরপরই সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী বইটির বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানান। তিনি দাবি করেন, এতে প্রকাশিত তথ্য ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। এরপর তিনি লেখক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর আদালত বইটির বিক্রি, প্রচার ও বিতরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে বাজার থেকে বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি হয়ে ওঠে এক বিতর্কিত ও দুর্লভ দলিল—যা অনেকের হাতে পৌঁছানোর আগেই হারিয়ে যায় বাজার থেকে।
বইটির প্রচ্ছদের পেছনে লেখা ছিল এক আবেগময় ভূমিকা- বাংলাদেশের সিনেমার আকাশে ফুটেছিল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, সালমান শাহ। এক শুভ্র সকালে হঠাৎ সে নক্ষত্র হারিয়ে গেল, রেখে গেল শূন্যতা আর বিষাদের দীর্ঘ ছায়া।
এছাড়াও বইয়ের পরিচিতিতে বলা হয়েছিল, ঢাকার চলচ্চিত্র জগতের এক উজ্জ্বল সময়, এবং সেই সময়ের মহানায়ক সালমান শাহকে ঘিরে এটি এক সাহসী প্রচেষ্টা, যেখানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এক রহস্যময় মৃত্যু ও তার অজানা গল্প।
নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকে বইটি আর পুনর্মুদ্রণ হয়নি, তবে বছর ঘুরে ঘুরে এটি ফিরে আসে নতুন আলোচনায়-সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য নিয়ে বিতর্কের প্রতিবার নতুন অধ্যায় শুরু করে।
মন্তব্য করুন
