

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার স্ত্রী চম্পা সম্প্রতি জানিয়েছেন, রিপন আমাকে অনেক ভালোবাসেন, আর আমি ওকে অনেক ভালোবাসি। একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
গত মঙ্গলবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনে তার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, তিনি মা-বাবার খোঁজ রাখেন না এবং স্ত্রী-সন্তানদের অস্বীকার করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবর দ্রুত ভাইরাল হয়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।
এরপর ঢাকায় হাজির হন রিপন মিয়া, সঙ্গে ছিলেন তার মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। রিপনের সঙ্গে তার সম্পর্ক কেমন, এমন প্রশ্নের উত্তরে চম্পা বলেন, আমি রিপনের সঙ্গে সুখেই আছি। মানুষ যা বলুক না কেন, আমি সেইসব কথাকে গুরুত্ব দিই না। আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। রিপন আমাকে ভালোবাসেন, আর আমি ওকে।
প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান অস্বীকারের অভিযোগ ওঠে। চম্পা এ নিয়ে বলেন, দেড় বছর আগে ভাইসাবের ভিডিওতে আমি বিয়ে ও বউ নিয়ে কথা বলেছিলাম। তখন সাংবাদিকরা বারবার একই প্রশ্ন করছেন, আমি তেজেমিশে বলেছিলাম, ‘আমি বিয়ে করিনি।’ কে জানত, এটা এত বড় বিতর্ক তৈরি করবে।
রিপনের স্ত্রীও তার সঙ্গে মিল রেখে বলেন, সাংবাদিকরা অনুমতি ছাড়া ঘরে প্রবেশ করেছিলেন এবং প্রশ্নগুলো উলটোভাবে করেছেন। তবে সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মনে করছেন, তার বক্তব্য শেখানো বা পরিকল্পিত।
রিপনের মা ফাতেমা বেগমও এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, প্রতিবেশীরা প্ররোচনায় ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করেছেন। অনেকেই বলে, ‘তোমার ছেলে লাখ লাখ টাকা কামায়, তোমাকে কী দিয়েছে।’ আমি ভাবছিলাম সাংবাদিকরা আমাদের সাহায্য করতে আসবেন, কিন্তু বুঝতে পারিনি তারা বিপদ তৈরি করবে। লোভে পড়ে আমি হয়তো আমার ছেলের কষ্ট দিছি।
তিনি আরও জানান, রিপন একা নন, তার ভাই-বোনরাও বাবা-মায়ের খোঁজখবর রাখেন। আমরা গরিব মানুষ, রিপন ছাড়া আমরা চলতে পারতাম না। তিন ছেলে আমাদের পাশে আছেন, বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে রিপনের মায়ের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছিল, যেখানে তিনি বলেছিলেন, আমরা গরিব, তাই হয়তো ও এখন পরিচয় দিতে চায় না। প্রতিবেদনের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।
মন্তব্য করুন
