

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দীর্ঘ সময় মঞ্চ, ক্যামেরা ও ফ্যাশন শো-তে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অভিনেত্রী রুনা খান। বর্তমানে তিনি নিয়মিত ওয়েব প্ল্যাটফর্ম এবং ফ্যাশন ইভেন্টে সক্রিয় থাকলেও, অনেক দিন ধরেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছেন।
জাতীয় এক গণমাধ্যমের সঙ্গে অকপট আলাপে তিনি বলেন, নিজের নৈতিকতা কখনো বিসর্জন দেননি। তবু দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি সফল হয়েছেন।
রুনা খান বলেন, ২০০৫ থেকে ২০২৫, বিশ বছর ধরে পেশাদার মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করছি। এই সময় এসেছে যেসব কাজের প্রস্তাব, সেগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র যেগুলো আমার ভালো লেগেছে, তা করেছি।
অন্যদিকে, অনেক সহকর্মীকে দেখেছি, তাদের ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছে ব্যক্তিগত সম্পর্কের মাধ্যমে-পরিচালকের সঙ্গে প্রেম, বিয়ে বা পরকীয়া। সম্পর্ক থাকলে কাজ; সম্পর্ক শেষ হলে পাসিং শটও নেই। আমি কোনো ব্যক্তিগত বিনিময় ছাড়া যোগ্যতা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। এটা সহ্য করতে না পেরে বলা হচ্ছে আমার পোশাক অশালীন।
সম্প্রতি একটি ফটোশুটকে ঘিরে এই বিতর্ক আরও তীব্র হয়। রুনা খান বলেন, অশ্লীলতা কাপড়ে হয় না, কর্মে হয়। আমাদের নাটকের অনেক অভিনেত্রীর জীবন চূড়ান্ত অশালীন কর্মকাণ্ডে ভরা, আর পর্দায় তারা শরীর ঢাকা পোশাক পড়ে শালীনতা প্রতিষ্ঠা করেন। বোরকা হোক বা সুইমস্যুট-যার যা ভালো লাগে, পরবে। কিন্তু যে সমাজে ব্যক্তিগত বিনিময় করে কাজ করা যায়, সেটি কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। পর্দায় স্কিন দেখানো আমি প্রথম দেখাইনি। শাবানা আপা, শাবনূর, মৌসুমী-তাদেরও ক্লিভেজ দেখেছি। তাহলে বয়সে ভিন্নতা মানা যাবে না কেন?
তিনি আরও যোগ করেন, আমরা দীর্ঘ সময় ধরে যোগ্যতা, পরিশ্রম ও নৈতিকতার মাধ্যমে কাজ করেছি। যারা ব্যক্তিগত জীবনে অশ্লীলতার চর্চা করে, তারা পর্দার পোশাক নিয়ে শালীনতার কথা বলে-এটাই অযৌক্তিক।
রুনা খানের এই মন্তব্য সামাজিক ও বিনোদন মাধ্যমগুলোতে আলোচনার ঝড় তুলেছে। অভিনেত্রীর বক্তব্য তার স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বকে তুলে ধরেছে।
মন্তব্য করুন
