

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতের জনপ্রিয় গায়কীশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের মন জয় করে চলেছেন। ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তার কণ্ঠের প্রশংসা করেছিলেন।
তবে সম্প্রতি তিনি নতুনভাবে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। গুঞ্জন উঠেছে, বিহার রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন এই সঙ্গীতশিল্পী।
৫ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়-এর সঙ্গে মৈথিলীর সাক্ষাতের পর জল্পনা তীব্রতর হয়। পরে বিহার বিজেপির নেতা বিনোদ তাওড়ের সঙ্গে মৈথিলীর একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাওড়ে সেই ছবিতে মৈথিলীকে ‘বিহার-কন্যা’ বলে স্বাগত জানান।
এরপর তিনি আরজেডি (রাষ্ট্রীয় জনতা দল)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন,
“১৯৯৫ সালে লালু প্রসাদ যাদবের আমলে মৈথিলী ঠাকুরের পরিবার বিহার ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। এখন তারা আবার ফিরে আসতে চায়।”
সাক্ষাতের পর মৈথিলী ও তার পরিবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মৈথিলী বলেন,
“বিহারের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা বড় স্বপ্ন দেখেন, তাদের প্রতিটি কথা আমার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।”
মৈথিলী ঠাকুরের বাড়ি মধুবনী জেলার বেনিপট্টি এলাকায়। মিথিলা অঞ্চল, অর্থাৎ মধুবনী ও দ্বারভাঙা এলাকা, তার পরিচিতির কেন্দ্র। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি বিজেপি তাকে প্রার্থী করে, তাহলে সম্ভবত মধুবনী বা দ্বারভাঙার কোনো আসন থেকে লড়ার প্রস্তাব আসতে পারে।
তিনি ভোজপুরি, হিন্দি এবং অন্যান্য ভাষায় গান গেয়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন। ২০২৪ সালে মায়ের সঙ্গে গাওয়া একটি গান প্রধানমন্ত্রী মোদিকে মুগ্ধ করেছিল এবং রামমন্দির উদ্বোধনের সময়ও তার উল্লেখ আসে।
বিহারে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে—৬ ও ১১ নভেম্বর। ভোটগণনা অনুষ্ঠিত হবে ১৪ নভেম্বর। এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন চলছে নানা জল্পনা—গানের মঞ্চ থেকে কি মৈথিলী সত্যিই ভোটের মঞ্চে পা রাখবেন?
মন্তব্য করুন
