

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বলিউডের চকচকে দুনিয়ার পেছনে লুকিয়ে থাকা বাস্তব দিকটি এবার স্পষ্টভাবে সামনে আনলেন অভিনেত্রী নওহিদ সাইরুসি। দীর্ঘদিন বড় পর্দা থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সব নীরবতা ভেঙে মুখ খুললেন তিনি।
অভিনয়ে ফিরছেন কবে? অবশেষে এই প্রশ্নের জবাব দিলেন অভিনেত্রী। নিজের অভিজ্ঞতার নানা দিক এবার খোলাখুলি তুলে ধরলেন তিনি।
একটি ভিডিও বার্তায় নওহিদ সাইরুসি জানান, অভিনয়জীবনে থাকা নানা অঘোষিত শর্ত ও সীমাবদ্ধতার কারণেই ধীরে ধীরে তিনি ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন।
নওহিদের বলেন, ‘এখন তো প্রায় অকারণেই চুম্বনের দৃশ্য ঢোকানো হয়। আমি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। এমনকি না বলার আগেই অনেক কাজ থেকে বাদ পড়তে হয়েছে।’
নওহিদের মতে, এমন অবস্থান নেওয়ার ফলেই তাঁর ক্যারিয়ারে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
নওহিদ জানান, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই অভিনয়ের চুক্তির সঙ্গে এমন একটি প্রত্যাশা থাকে যে অভিনেত্রীকে চুম্বন বা ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেই হবে। তাঁর মতে, এসব দৃশ্য অনেক সময় গল্পের প্রয়োজনীয়তা ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে যুক্ত করা হয়।
শুধু অভিনয় নয়, পারিশ্রমিক নিয়েও অভিযোগ রয়েছে তাঁর। প্রযোজক সংস্থাগুলো চুক্তি অনুযায়ী পুরো পারিশ্রমিক পরিশোধ করে না।
নওহিদ বলেন, ‘শুটিং শেষ হওয়ার পর প্রায় ২৫ শতাংশ অর্থ আটকে রাখা হয়, যা অনেক সময় আর পাওয়া যায় না। নানা অজুহাতে সেই অর্থ আটকে রাখা হয়, যেমন সিনেমা ভালো ব্যবসা করেনি ইত্যাদি। আমি আমার কাজ করেছি, কিন্তু টাকা না পেলে কার কাছে বিচার চাইব?’
নওহিদ আরও জানান, ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত ‘ইনার সার্কেল’- এর বাইরে থাকায় তিনি অনেক সময়ই ভালো সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। প্রযোজক ও অভিনেতাদের নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা না থাকায় তাঁকে প্রায়ই ছোট পরিসরের চরিত্র যেমন, কারও বোন বা ভাবি এই ধরনের ভূমিকায় দেখা যেত, যেগুলো করতে তিনি তেমন আগ্রহী ছিলেন না।
তবে অভিনয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে নওহিদ এখন নিজেকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে। তাঁর ভাষায় এই জায়গাটিকেই নিজের প্রকৃত পরিচয় হিসেবে দেখছেন তিনি।
