

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


১৯৪৬ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকার নবাবপুরে জন্মগ্রহণ করেন শবনম। তার আসল নাম ঝর্ণা বসাক। শৈশবে খেলাধুলা প্রিয় ও বেশ চঞ্চল স্বভাবের ঝর্ণার ইচ্ছা ছিল না অভিনয় জগতে আসার। বড় বোন সন্ধ্যা বসাককে দেখে নাচের প্রতি অনুরাগ জন্মালে তার বাবা তাকে ভর্তি করিয়ে দেন বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে (বাফা)।
পরিচালক এহতেশাম ছিলেন তার বাবার বন্ধু। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় এহতেশামের ‘এ দেশ তোমার আমার’ চলচ্চিত্রের একটি কোরাস গানের নাচে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় তার প্রথম আগমন। এরপর ‘রাজধানীর বুকে’ সিনেমার একটি গানে অভিনয়ের মাধ্যমে নজর কাড়েন তিনি।
মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রধান চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন এবং এখানেই ‘ঝর্ণা’ নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘শবনম’। এরপর ‘চান্দা’ ও ‘তালাশ’-এর মতো ব্যবসায় সফল চলচ্চিত্রের কারণে দ্রুত ব্যস্ততা বেড়ে গেলে তার প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার ইতি ঘটে।
ষাট থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত একটানা অভিনয় করা শবনম বাংলা সিনেমার পাশাপাশি পাকিস্তানের উর্দু সিনেমাতেও বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
বাংলা-উর্দু মিলিয়ে প্রায় ১৮০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই অভিনেত্রী পাকিস্তানের সম্মানজনক 'নিগার পুরস্কার' লাভ করেছেন ১২ বার।
দীর্ঘদিন পর ১৯৯৯ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ চলচ্চিত্রের মূল চরিত্রে অভিনয় করে বাংলাদেশে দারুণ সাড়া ফেলেন তিনি। এই ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রের পর আর তাকে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি। ২০২৩ সালের বাংলাদেশের 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার'-এ তিনি আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।


