

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে ধীর গতিতে। হাতে গোনা প্রথাগত পদ্ধতিতে গণনা হওয়ায় প্রত্যাশার তুলনায় সময় লাগছে অনেক জাকসু ভোট গণনা: ধীর গতিতে এগোচ্ছে প্রক্রিয়া, ১১ হল শেষ হতে লেগেছে সাড়ে ১৫ ঘণ্টা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে ধীর গতিতে। হাতে গোনা প্রথাগত পদ্ধতিতে গণনা হওয়ায় প্রত্যাশার তুলনায় সময় লাগছে অনেক বেশি।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর সিনেট ভবনে গণনা শুরু হয়, যা ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর। ভোর পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলাম, মীর মশাররফ হোসেন, আ ফ ম কামালউদ্দিন ও শহীদ জননী জাহানারা ইমাম হলের গণনা শেষ হয়। শুক্রবার দুপুর নাগাদ মোট ১১টি হলের গণনা শেষ হলেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সব হলের ভোট শেষ হওয়ার পর একসঙ্গে ফল প্রকাশ করা হবে।
সিনেট ভবনের ভেতরে গণনা সরাসরি সম্প্রচার হলেও সেখানে ফলাফলের কোনো তথ্য দেখানো হয়নি। এতে বাইরে অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। রাত গভীর পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থী গান-বাজনার মাধ্যমে সময় কাটালেও ধীরে ধীরে তাদের উপস্থিতি কমে আসে।
কমিশনের সদস্য অধ্যাপক খো. লুৎফুল এলাহী বলেন, “শিক্ষক-কর্মকর্তারা সারাদিন দায়িত্ব পালনের পর রাতভর গণনা করছেন। ক্লান্তির কারণে স্বাভাবিকভাবেই গতি কম।” তিনি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হল সংসদের গণনা শেষ করার চেষ্টা চলছে, এরপর কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা শুরু হবে।
এই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৫৯ জন। ভোট পড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ৯ জন, জিএস পদে ৮ জন এবং এজিএস পদে ১৬ জন রয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ৬ জন।
এবারের নির্বাচনে পূর্ণ ও আংশিক মিলে আটটি প্যানেল অংশ নেয়। তবে ভোট চলাকালে কারচুপির অভিযোগ তুলে পাঁচটি প্যানেল নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায়। এর মধ্যে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল, প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সম্প্রীতির ঐক্য, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্টের সংশপ্তক পর্ষদ ও স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ রয়েছে। এছাড়া ছাত্র ফ্রন্টের একাংশ এবং কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও ভোট বর্জন করেন।
২১টি হলে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৮৯৭ জন, যার মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ১১৫ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৭২৮ জন। ভোট গ্রহণের জন্য ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়।
মন্তব্য করুন
