

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদের নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেট এলাকায় মুখোমুখি অবস্থানে যায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায়, রাতে দুই সংগঠনের সদস্যরা গেটের দুই পাশে অবস্থান নিয়েছে।
কেউ দলীয় নেতাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখছেন, আবার কেউ গুচ্ছ গুচ্ছ দলে জড়ো হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। পুরো এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে রাত পর্যন্ত কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
এর আগে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়, হল ও হোস্টেল সংসদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট।
নির্বাচনে ১৩টি প্যানেল অংশ নেয়, যেখানে মোট ২৩২ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৯০৮ জন প্রার্থী।
তথ্য অনুযায়ী, ভোটারদের কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪০টি ভোট দিতে হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬টি ও হল সংসদের ১৪টি পদে ভোট হয়।
প্রতিটি ভোটারের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল সর্বোচ্চ ১০ মিনিট, অর্থাৎ গড়ে প্রতি ২০ সেকেন্ডে একটি ভোট দিতে হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটাররা প্রয়োজনীয় সময় নিয়ে ভোট দিতে পেরেছেন।
ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ শেষে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে গণনা শুরু হয়।
কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪১৫ জন প্রার্থী, আর হল ও হোস্টেল পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৯৩ জন। তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ৪৭ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২৭ হাজার ৫১৮ জন।
হল সংসদের ফলাফল ভোটকেন্দ্রেই ঘোষণা করা হবে, আর কেন্দ্রীয় সংসদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তনে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে অনুষদের ডিনদের রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং বিভাগের সভাপতিদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ভোটার তালিকায় সংযুক্ত করা হয়েছে ছবি, আর শহরে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য শাটল ট্রেনের ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানো হয়। সেদিন মোট ১১ বার করে ট্রেন আসা-যাওয়া করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখী ১৫টি বাস চলাচল করেছে।
মন্তব্য করুন