

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভোটারদের আঙুলে ব্যবহৃত অমোচনীয় কালি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
একাধিক ভোটার ও প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, ভোট দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আঙুলের কালি মুছে যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, কালি উঠে গেলেও দ্বিতীয়বার ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল গড়াতেই ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির এবং দ্রোহ পর্ষদ প্যানেল থেকে কালি নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়।
ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, ভোটারদের আঙুলে দেওয়া কালি কিছুক্ষণের মধ্যেই মুছে যাচ্ছে। এতে দ্বিতীয়বার ভোট দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
আমি নিজেও ভোট দিয়েছি, আমার আঙুলের কালি প্রায় উঠে গেছে। প্রশাসনও বিষয়টি স্বীকার করেছে। এতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
একই ধরনের অভিযোগ করেন ছাত্রশিবিরের ভিপি প্রার্থী ইব্রাহিম হোসেন রনি। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এমন কালি ব্যবহার করা হবে যা কয়েক দিনেও উঠবে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি মিলিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের শুরুতেই বিষয়টি উদ্বেগের।
অন্যদিকে সমাজতত্ত্ব বিভাগের এক ভোটার জানান, আমি কলা ভবনে ভোট দিয়েছি। সত্যিই কালি কিছুটা উঠে যাচ্ছে। তবে ভোটার তালিকায় ছবি মিলিয়ে, নাম দেখে এবং স্বাক্ষর নিয়ে ভোট দেওয়া হচ্ছে। তাই একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার ভোট দিতে পারবেন না বলে মনে করি।
এই বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তবে দেশের বাজারে এর চেয়ে ভালো মানের কালি পাওয়া যায়নি। ভালো কালি আনতে হলে বিদেশ থেকে আনতে হবে।
তারপরও ভোট জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। কারণ ভোটার যাচাই তিন ধাপে করা হচ্ছে- প্রথমে সিরিয়াল নম্বর যাচাই, পরে নাম ও আইডি মিলিয়ে দেখা, এরপর ভোটারের ছবি ও স্বাক্ষর মিলিয়ে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন
