

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে দীর্ঘ সময় ধরে চলা অচলাবস্থা শেষ হচ্ছে।
শিক্ষক ও কর্মকর্তারা নতুন কোনো আন্দোলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আগামী ১৬ অক্টোবর ভোট আয়োজনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। এর ফলে নির্বাচন কমিশন, প্রার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটের আশা করছেন।
শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচনের আগে কোনো কর্মসূচি হবে না।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল আলীম বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত ও লাঞ্ছিতদের বিচার হওয়ার পর আমরা আপাতত কোনো কর্মসূচি রাখছি না।”
বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স সমিতির সভাপতি মো. মোক্তার হোসেনও জানান, ‘নির্বাচনের আগে আর কোনো কর্মসূচি নয়, আমরা দায়িত্বপূর্ণভাবে ভোট পরিচালনা করব।’
রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষক-কর্মকর্তারা নির্বাচনকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। তাই শঙ্কা আর নেই।”
গত সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের পোষ্য কোটা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চলার সময় শিক্ষক-কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের কর্মসূচি লাগাতার চলার কারণে ২৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচন স্থগিত করা হয়। নতুন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ অক্টোবর।
ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দীন বলেন, “নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা ছিল, কিন্তু শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও রাকসু ভিপি প্রার্থী মুস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। রাকসু সবার অধিকার, এটা সঠিক সময়ে হওয়া উচিত। তিনি বলেন এমন খবরে সব শিক্ষার্থীর সঙ্গে আমিও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছি।”
মন্তব্য করুন
