

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান জানিয়েছেন, ব্যালট পেপার ছাপানোর স্থান বা সংখ্যা নির্বাচনকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করে না। কারণ ব্যালট ভোটের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করতে একাধিক ধাপ সম্পন্ন করতে হয়।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ব্যালট পেপার ছাপানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অভিযোগের প্রতিকার করা হয়েছে। আমরা ৪৮টি অভিযোগের সাধারণ জবাব দিয়েছি, ১৬টি অভিযোগ ব্যক্তিগতভাবে ৬৯ ধারার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছি। এরপরও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে।”
ড. নিয়াজ আরও জানান, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে ব্যালট ছাপানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভোটার ও প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় মূল ভেন্ডরের সঙ্গে আলোচনা করে আরেকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে কাজে যুক্ত করা হয়। নীলক্ষেতে ব্যালট ছাপানো হলেও বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি। সহযোগী ভেন্ডর স্বীকার করেছে যে, ২২ রিম কাগজ ব্যবহার করে ৮৮ হাজার ব্যালট ছাপানো হয়; প্রিন্টিং, কাটিং, প্রি-স্ক্যান প্রক্রিয়ার পর ৮৬ হাজার ২৪৩টি ব্যালট সরবরাহযোগ্য হয় এবং অবশিষ্ট ব্যালট ধ্বংস করা হয়।
উপাচার্য বলেন, “ব্যালট শুধু ছাপালেই ভোটে ব্যবহারযোগ্য হয় না। কাটিং, নিরাপত্তা কোড আরোপ, ওএমআর প্রি-স্ক্যান এবং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে তা ভোট গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়। আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে ভোট গ্রহণ করেছি।”
তিনি ভোটের পরিসংখ্যানও জানিয়ে বলেন, মোট ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৪৪টি ব্যালট প্রস্তুত করা হয়েছিল। ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন; ২৯ হাজার ৮২১ জন ভোট দিয়েছেন। মোট ব্যবহৃত ব্যালট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯২৬টি; অবশিষ্ট ৬০ হাজার ৩১৮টি ব্যালট নিরাপদভাবে সংরক্ষিত।
ড. নিয়াজ বলেন, “যদি কোনো প্রার্থী নির্দিষ্ট সময় বা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বা ভোটার স্বাক্ষর তালিকা দেখতে চান, যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত স্থানে বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে তা পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ দেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন
