শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবির বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিলভার জুবিলী উদযাপন

ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:৪৩ পিএম
পুনর্মিলনী উৎসব
expand
পুনর্মিলনী উৎসব

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিলভার জুবিলী ও অ্যালামনাই পুনর্মিলনী উৎসব উদযাপিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ উৎসব উদযাপিত হয়। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠান উপলক্ষে সকালে প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়, যা উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। পরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বক্তব্য রাখেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. হোসেন আল মামুন এবং ইবি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বাবলী সাবিনা আজহার। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ. কে. এম. নাজমুল হুদা। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সিলভার জুবিলী ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মহাঃ আনোয়ারুল হক এবং আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “বর্তমান যুগে বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় শাখা। শিক্ষণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে এখানকার শিক্ষার্থীদের সুযোগ এখন বৈশ্বিক পরিসরে বিস্তৃত।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থী কখনোই বিভাগ বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না। একবার যে শিক্ষার্থী হয়, সে আজীবনই শিক্ষার্থী—কারণ বিভাগই তার ‘আলমা মাটার’। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই বিভাগের অ্যালামনাইরা ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও তাদের অবদান দৃশ্যমান। আমি আশা করি, এখানকার শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে।”

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন