

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহিদদের মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত মোনাজাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম না নেয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রদলের প্রতিবাদের মুখে ইমাম সাহেব ভুল স্বীকার করে দ্বিতীয়বার মোনাজাত পরিচালনা করতে বাধ্য হন।
রাত ১২টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব আশরাফ উদ্দিন খান। তবে মোনাজাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং প্রতিবাদ শুরু করেন।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ইমাম সাহেব অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি, তিনি কখনোই জিয়ার নাম বাদ দেন না। এটি বিশ্ববিদ্যালয় উদযাপন কমিটি ও প্রশাসনের ইচ্ছাকৃত কারসাজি বলে আমরা মনে করি। যার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছেন, তার নাম নিতে ভুল হওয়া রহস্যজনক। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুনসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা নিজেরাও জিয়ার আদর্শের সৈনিক। ইমাম সাহেব ভুলবশত নাম উল্লেখ করেননি। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রতিবাদ জানানোর পর ইমাম সাহেব ভুল স্বীকার করে পুনরায় মোনাজাত করেছেন।
প্রোভিসি প্রফেসর ড. এয়াকুব আলী জানান, আমি দোয়ার আগেই খতিবকে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়াসহ বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীলদের জন্য দোয়ার কথা বলেছিলাম। মানুষ হিসেবে খতিব হয়তো ভুলে গেছেন। এটি নিয়ে হৈচৈ করার কিছু নেই।
এদিকে মোনাজাত নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার একপর্যায়ে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণেই শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইটের সাথে প্রোভিসির বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে প্রোভিসি বলেন, সুইট ছোট মানুষ, না বুঝেই উত্তেজিত হয়েছিল। উদযাপন কমিটিতে আমার ভূমিকা নিয়ে তার ভুল ধারণা ছিল।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এবং দ্বিতীয়বার যথাযথভাবে মোনাজাত সম্পন্ন হওয়ার পর পরিবেশ শান্ত হয়।
মন্তব্য করুন

