

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে ভবঘুরে ও অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শনিবার বিকেল থেকে এই অভিযানে অংশ নেয় ডাকসু প্রতিনিধিরা, প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও মেট্রোরেল পুলিশের সদস্যরা।
তবে অভিযানের পর সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভে নামে একদল শিক্ষার্থী ও হকার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহবাগ সংলগ্ন এলাকায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের কয়েকজন কর্মীও এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
একই সময়ে শাহবাগ থানার সামনে প্রক্টরিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিলেন্স টিমের এক সদস্যের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। আহতের নাম ওমর ফারুক।
তিনি জানান, শাহবাগ এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে আমরা ব্যারিকেড বসাই। সেই সময় কয়েকজন বহিরাগত যুবক এসে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের মধ্যে কিছু শিক্ষার্থীও ছিল বলে আমার ধারণা।
ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত অংশীদার হলো এখানকার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। কোনোভাবেই মাদক ব্যবসায়ী, অবৈধ দোকানদার বা বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে জায়গা দেওয়া হবে না। বহিরাগত উচ্ছেদ অভিযানে যাদের অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে যাচ্ছে, তারাই এখন বিভ্রান্তি ছড়াতে মিছিল করছে। আমরা স্পষ্ট করে দিচ্ছি- হয় ডাকসু থাকবে, নয় অবৈধ ব্যবসা; দুটো একসাথে নয়।
ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের বলেন, প্রশাসন যখন বিকেলে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করছে, তখনই দেখি কিছু বাম সংগঠনের কর্মীরা তাদের নিয়ে মিছিল করছে। এটা আসলে ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে দায় তাদেরই নিতে হবে।
ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে প্রক্টরিয়াল টিমের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়। এজন্য সিটি কর্পোরেশন, মেট্রোরেল পুলিশ এবং শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আরও জানান, আগামীকাল ডাকসু প্রতিনিধি ও প্রক্টরিয়াল টিমের যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আজকের ঘটনার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও দাবিগুলো খতিয়ে দেখা হবে।
মন্তব্য করুন
