

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পুরান ঢাকার আরমানিটোলা টিউশনি করতে গিয়ে খুন হন জবি ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসেন। খুনের ইতোমধ্যে ১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) রাত ১টা থেকে তার পরিবার মামলা করার চেষ্টা করলেও সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্তও জুবায়েদের খুনের মামলা নেয়া হয়নি।
বাদীপক্ষ জানায়, ওই ছাত্রী বর্ষা, বাবা-মা ও তার বয়ফ্রেন্ড মো. মাহির রহমান ও বয়ফ্রেন্ডের বন্ধু মো. নাফিসকে উল্লেখ করে মামলা দিতে চাইলেও বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তা নিতে অস্বীকৃতি জানান।
মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী জুবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বলেন, আমরা ওই ছাত্রী, তার বাবা-মাসহ ৫ জনের নামে মামলা দিতে চাইলে বংশাল থানার ওসি এত জনের নামে মামলা না দেওয়ার পরামর্শ দেন।
তিনি (ওসি) জানান, ওই মেয়ের বাবা মায়ের নামে মামলা দিলে নাকি মামলা হালকা হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা মামলায় তাদের নাম উল্লেখ করতে চাই। আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।
জানা যায়, এ ঘটনায় মামলা করতে থানায় প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে উপস্থিত রয়েছেন নিহত জুবায়েদ হোসাইনের বাবা, বড় ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা।
তবে এদিন রাত ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত নিহতের বাবা, বড় ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা মামলার প্রস্তুতি নিলেও থানায় ওসি না থাকায় বিলম্ব হয়। পরবর্তী সময়ে ওসি এলেও মামলায় আসামি কমানোর পরামর্শ দেন ওসি।
এ বিষয়ে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, যে কয়েকজনের নামে মামলা দিতে চায় নেব, তবে তাদের বলেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে।
মন্তব্য করুন
