

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দীর্ঘদিন রাকসুর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ভবনটি আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল অন্তত ১০টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য। তারা সেখানেই চালিয়ে আসছিল নিজেদের কার্যক্রম। তবে সাম্প্রতিক রাকসু নির্বাচন ও পুনর্গঠনের পর সংগঠনগুলোকে কার্যালয় ছেড়ে দিতে হয়েছে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কেন্দ্রীয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) না থাকায় নতুন করে বিড়ম্বনায় পড়েছে এসব সংগঠন। অস্থায়ীভাবে তাদের স্থান করে দেওয়া হয়েছে মন্নুজান হলের পাশে অবস্থিত পুরাতন শেখ রাসেল স্কুলের ‘পরিত্যক্ত’ ভবনে।
নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য রাকসু ভবনে চলছে কক্ষ পরিষ্কার ও ধোয়ামোছার কাজ। ভবনের ভাঙাচোরা অংশগুলো মেরামতসহ দেয়ালে চলছে রঙের কাজ। লাগানো হচ্ছে নতুন বৈদ্যুতিক বাতি। নতুন সাজে প্রস্তুত হচ্ছে রাকসু ভবন।
তবে পূর্ণাঙ্গ টিএসসি বাস্তবায়ন করে সংগঠনগুলোকে স্থায়ী ঠিকানা দিতে কাজ করতে চান রাকসুর নবনির্বাচিত জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।
তিনি বলেন, ভবনে দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালানো সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে পূর্ণাঙ্গ টিএসসি বাস্তবায়ন করে স্থায়ী পুনর্বাসন করার প্রতিশ্রুতি আমাদের ছিল। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চাই।
ভোটে নির্বাচিতরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত কাজ শুরু করার কথা বলেছেন। কেন্দ্রীয় সংসদের অন্তত পাঁচজন নির্বাচিত প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। এখন সেই প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে কাজ শুরু করতে চান তারা।
নবনির্বাচিত ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়ে আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন। আমরা তাদের অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। এখন আমরা শিক্ষার্থীদের আস্থা ও আমাদের ইশতেহার অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’
জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার নির্বাচিত সব বিজয়ীর সঙ্গে আলোচনায় বসে কর্মপন্থা তৈরি করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা নির্বাচিত হয়েছি, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাই। এই আলোচনায় আমরা সবার ইশতেহার বাস্তবায়নে কার্যকর পন্থা খুঁজে বের করতে এবং কাজ শুরু করতে চাই।’
মন্তব্য করুন
