

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি হাতে শহীদ নুর হোসেন হলে গিয়ে সহকারী প্রক্টর মো. মবিনুল ইসলাম এবং ছাত্রদের উপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় ৬৬ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২১মে বৃহস্পতিবার দুপুরে শহীদ আবরার ফাহাদ হল হতে শতাধিক শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি হাতে শহীদ নুর হোসেন হলে গিয়ে সহকারী প্রক্টর ও ছাত্রদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ৬৬ শিক্ষার্থী বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে শাস্তির আওতায় আসা শিক্ষার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়েছে।
৪ ধরনের শাস্তির মধ্যে উশৃঙ্খল আচরণের জন্য ৮ শিক্ষার্থীকে হল থেকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার ও লিখিত সর্তকীকরণ এবং ২ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা, হাতে অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য ৬ শিক্ষার্থীকে ১ সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম হতে বহিষ্কার ও হল হতে বহিষ্কার এবং ৫ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা, অস্ত্র হাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ভাঙচুরের জন্য ৪৬ শিক্ষার্থীকে ২ সেমিস্টার একাডেমিক কার্যক্রম হতে বহিষ্কার ও হল হতে বহিষ্কার এবং ১০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও কর্তব্য পালনরত অবস্থায় সহকারী প্রক্টর মো. মবিনুল ইসলামের উপর আক্রমণের জন্য ৬ শিক্ষার্থীকে একাডেমিক কার্যক্রম হতে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজীবন একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কৃতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচারাল এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং ও অর্থনীতি বিভাগের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. নাইমুর রহমান দূর্জয় ও সাকির মাহমুদ, ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৩ ব্যাচের মো. সৌরভ আহমেদ, ফুড এন্ড প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ও একাউন্টিং বিভাগের ২২ ব্যাচের মো. আসাদুজ্জামান সাগর ও তাসরিয়াফ ইসলাম প্রান্তিক এবং ইংরেজি বিভাগের ২৩ ব্যাচের আসিফ হোসেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান জানান, “তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে এ শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনে কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হলে তার শাস্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।”