

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আঞ্জুমান আরার এক মন্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। হলের লাইব্রেরি থেকে বই চুরির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আগে ছাত্রলীগ ছিল, তারাই ভালো ছিল, ধরে ধরে পিটাত—ওটাই ঠিক ছিল।”
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে এক সাংবাদিকের সঙ্গে মোবাইলে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওই সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, “এভাবে তাড়াহুড়া করে কেন খবর করলেন? হলে কয়েকজন ছাত্রী আছে, সবকিছু এখনই চায়। তারা কী হয়ে গেছে?”
প্রভোস্ট জানান, “ও (সাংবাদিক) আমার হলের শৃঙ্খলা কমিটিতে আসবে, জবাবদিহি করবে। আবার নিউজ করবে—এত সময় নেই আমার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার।”
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সাদা দলের কেউ নেই, তাই আমি প্রভোস্ট হয়েছি। নির্বাচন হলে দলের অনেক লোক আসবে, কেউ দায়িত্ব নিতে চাইলে আমি দায়িত্ব ছেড়ে দেব।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম জানান, “বই চুরির ঘটনার বিষয়ে আমি জানি, কিন্তু সাংবাদিকের সঙ্গে এ ধরনের কথোপকথনের বিষয়টি এখনো আমার জানা নেই। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে, এমন ঘটনা হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে দৈনিক দেশ রূপান্তরে হলের লাইব্রেরি থেকে বই চুরির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ হয়ে প্রভোস্ট প্রতিবেদক ফাতেমা আলীকে ‘হলুদ সাংবাদিক’ বলে মন্তব্য করেন এবং রাত ১২টার দিকে তাকে হলের শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে ডেকে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন
