

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষকের যোগদান আগামী অক্টোবর মাসে হতে পারে।
আসন্ন ঈদুল আজহার পর সহকারী শিক্ষকদের মূল্যায়নের মডিউল চূড়ান্ত হওয়ার পর এ সংক্রান্ত রোডম্যাপ তৈরি করা হতে পারে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষককে পিটিআইএর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এরপর মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হওয়া প্রার্থীদের যোগদান করানো হবে। জুন মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ মডিউল চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরপর জুলাই থেকে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু হতে পারে।
সূত্রের তথ্য বলছে, প্রশিক্ষণটি দুই থেকে তিন মাসবাপী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই মাসের প্রশিক্ষণ হলে শিক্ষকদের যোগদান হতে পারে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে।
আর প্রশিক্ষণটি তিন মাসব্যাপী হলে যোগদান একমাস পিছিয়ে অক্টোবরে হতে পারে। মূল্যায়নের ফলাফলে উত্তীর্ণ হতে না পারলে শিক্ষকদের যোগদান করানো হবে না বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মডিউল চূড়ান্ত করে প্রশিক্ষণের তারিখ না ঘোষণা করা পর্যন্ত কোনো কিছুই নিশ্চিত না। তবে আশা করছি আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যে শিক্ষকদের যোগদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।’
প্রশিক্ষণ মডিউলের বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহ্মদ বলেন, ‘নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ মডিউল পুরোপুরি প্রস্তুত। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে মন্ত্রণালয় সভা ডাকলে আমরা মডিউল জমা দেব। এরপর তারা এটি চূড়ান্ত করবেন।’
গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সব প্রক্রিয়া শেষ করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনও যোগদান করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক।
এ নিয়ে গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীতে আন্দোলনে নামেন তারা। এরপর তাদের প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
