

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপূর্ব পাল কর্তৃক কোরআন মাজীদ অবমাননার প্রতিবাদে সর্বোচ্চ শাস্তি ও ব্লাসফেমি আইন প্রণয়নের দাবিতে কুরআন তিলাওয়াত, কোরআন বিতরণ, নাশিদ (ইসলামি সংগীত) ও বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় কলা অনুষদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার কলা অনুষদে এসে মিছিল শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক আবু ওবায়দা ওসামা, তথ্যপ্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতি সহ হল সংসদের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
এসময় জাকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক আবু ওবায়দা ওসামা বলেন, “আমাদের দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও বিচার কাঠামোর দীর্ঘ সূত্রীতার কারনে দিন দিন অপরাধ প্রবনতা বেড়েই চলেছে।
ভিক্টিমদের চোখের জল শুকিয়ে যাচ্ছে, তাদের আবেগ মরে যাচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধীরা আইনের ফাক-ফোঁকর গলে বেরিয়ে যাচ্ছে। আমরা এই সিস্টেমের পরিবর্তন চাই।”
তিনি আরো বলেন, “ইদানিং ধর্ম অবমাননার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ অপরাধীকে যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হতো তাহলে যেকোনো ধর্মের অবমাননার ঘটনা ঘটতো না।
আমাদের ক্যাম্পাসেও ধর্ম অবমাননার ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেন সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সেই দাবিতেও আমরা মাঠে থাকবো।”
জাকসুর তথ্যপ্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, “রাসুল (সা:) এর অবমাননা ও কুরআন অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তি যেন নিশ্চিত হয় এবং কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষ যেন না থাকে সেজন্য অতিদ্রুত ব্লাসফেমী আইন প্রণয়ন করতে হবে এবং কার্যকর করতে হবে।
আমরা রাষ্ট্রের ওপর ভরসা করতে চাই, কিন্তু রাষ্ট্র কখনোই ধর্ম অবমাননার সঠিক বিচার করতে পারে নাই। কুরআন অবমাননার মত এই ধরণের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে তা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে।”
মন্তব্য করুন