শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ 

হাসিব সরদার, জবি
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১০ এএম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
expand
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পুরান ঢাকার তাতিবাজার প্রদক্ষিণ করে বিশ্বজিৎ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে প্রতিবাদী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়- ‘এ সময় তারেকের অনেক গুণ, হারার ভয়ে মানুষ খুন’, ‘নির্বাচনের প্রথম খুন’, ‘হারার ভয়ে মানুষ খুন’, ‘তারেক তুই জবাব দে আমার ভাই মরল কেন’, ‘বিএনপির অনেক গুণ হারার ভয়ে মানুষ খুন’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, তারেক জিয়ার সন্ত্রাসীরা হুঁশিয়ার সাবধান এবং “আমার ভাই শহিদ কেন-তারেক তুই জবাব দে। এসব স্লোগানের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের বিচার ও দায়ীদের জবাবদিহির দাবি জানান তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র ভিন্নমতের কারণে একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কোনো রক্তপাত ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে।

কিন্তু একটি পক্ষ দেশে রক্তের রাজনীতি শুরু করেছে। তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতি কায়েম করতে চায়, কিন্তু এ দেশের ছাত্রসমাজ তা মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের কাছ থেকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের আশা করেছিলাম, কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখেছি।

জবি শাখা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, আমরা দেখছি বাংলার আকাশে একটি সন্ত্রাসী শক্তির উত্থান ঘটেছে। এদের প্রতিহত করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই-আপনারা যে রাজনীতি করছেন, তা থেকে সরে এসে নতুন রাজনৈতিক ধারা শুরু করুন। অন্যথায় জনগণ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

শিবির নেতা সোহাগ আহমেদ বলেন, শেরপুরে জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের মা-বোনদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে।

নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ভূমিকা না থাকার কারণেই এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। যে দল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না, তারা কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে সেই প্রশ্নও উঠে আসে।

জবি শাখা ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক শেখ ফেরদৌস বলেন, এখনো সময় আছে- জনগণের পালস বুঝে রাজনীতি করুন। অন্যথায় রাজনৈতিকভাবে ছিটকে পড়তে হবে।

একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X