

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবিরকে প্রতিহত করতে বিভিন্ন সংগঠন একত্র হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
ডাকসু ও জাকসুতে বড় ধরনের পরাজয়ের পর এবার শিবিরের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরোধী সংগঠনগুলো একত্র হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে লোভনীয় পদ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইতিমধ্যে দুটি প্যানেল ঘোষণা হয়েছে— ছাত্রফ্রন্ট-ছাত্র ইউনিয়নের ‘দ্রোহ পর্ষদ’ এবং গণ অধিকার পরিষদের ‘চাকসু ফর র্যাপিড চেঞ্জ’। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরসহ কয়েকটি সংগঠন এখনো প্যানেল ঘোষণা করেনি। শেষ মুহূর্তে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছে।
ছাত্রদলের ভেতর থেকে জানা গেছে, শাখা কমিটির শীর্ষ কয়েকজনের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ কম। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের কারণে প্রার্থিতা বণ্টনে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
তবে শীর্ষ নেতাদের দাবি, কোনো আনুষ্ঠানিক বাধা দেওয়া হয়নি। জোটে গেলে অন্য দলগুলোর জন্য কিছু পদ ছাড়তে হলে ভেতরে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক ভরাডুবির পর নেতৃত্বের আগ্রহ কম থাকায় প্যানেল দেওয়া হয়নি। তবে কিছু সদস্য স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হয়েছেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদ এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত অবস্থানে আছে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু শিবিরবিরোধী নয়, প্রয়োজনে শিবিরকেও সঙ্গে নিয়ে জোট গঠন সম্ভব।
সংগঠনের চবি শাখা ইতোমধ্যে ‘চাকসু ফর র্যাপিড চেঞ্জ’ নামে প্যানেল ঘোষণা করেছে। তবে আলোচনার মাধ্যমে বড় ধরনের জোট হলে তার জন্যও তারা প্রস্তুত।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত বাগছাস নেতা আর এম রাশিদুল হক দিনারের নেতৃত্বে একটি স্বতন্ত্র প্যানেল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, সব সংগঠনের সঙ্গে আলাপ হলেও জোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ১,০৬৩ জন মনোনয়নপত্র নিয়েছেন— এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৪৭৪ জন এবং হল সংসদের জন্য ৫৮৯ জন।
মন্তব্য করুন
