

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে শিক্ষার্থীরা মদ দিয়ে কুলি করে’-এমন বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসেন মুফতি আমির হামজা। ব্যাপক সমালোচনা হলেও সম্প্রতি তার সেই বক্তব্য যেন আংশিক সত্যি হয়ে ধরা দিল।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হলের বি ব্লকের ছাদ থেকে বাংলা মদ ও গাঁজা সেবনরত অবস্থায় একদল শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে ধরেছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। মাদকসেবী শিক্ষার্থীরা ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) বিভিন্ন ব্যাচের বলে জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর ) রাত ২টায় তাজউদ্দীন হলের বি ব্লকে ছাদ থেকে তাদেরকে হাতেনাতে ধরেন শিক্ষার্থীরা, এ সময় হল সংসদ ও কেন্দ্রীয় সংসদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত।
হলের ছাদে মদ ও গাজা সেবনকালে হাতেনাতে ধরা পড়েন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের এক নেতা। তার নাম মো. জাবের। তিনি শাখা ছাত্রদকের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও মওলানা ভাসানী হলের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ ব্যাচের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) আইবিএ-র শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হলের ছাদে নবীন শিক্ষার্থীদের র্যাগ দেয়া হচ্ছে এমন খবর পেয়ে সেখানে যান হল সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা। এসময় হলের ছাদের পানির ট্যাংকের উপরে প্রায় ১৫ জনের দলবল নিয়ে বাংলা মদ পান ও গাজা সেবন করছিলেন তারা।
তাজউদ্দীন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শরিফুল আলম সাকিব বলেন, হলের ছাদে মদ ও গাঁজা সেবনের খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই এবং বাংলা মদ, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য পাই। পরে তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা আমাদের সাথে আক্রমণাত্মক আচরণ করা শুরু করেন এবং একজন সাংবাদিক তাদের সাথে কথা বলতে গেলে তার সাথে ও এগ্রেসিভ আচরণ করে। আমাদের সাথে হল সংসদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন

