শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনানিবাসের সাবজেলে ১৫ সেনা কর্মকর্তা, জানুন তাদের তিনবেলার খাবারের মেন্যু

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১১:২০ এএম আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১১:২৫ এএম
গতকাল অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারা কর্তৃপক্ষের এসি প্রিজন ভ্যানে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।
expand
গতকাল অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারা কর্তৃপক্ষের এসি প্রিজন ভ্যানে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

আওয়ামী লীগ শাসনামলের সময় সংঘটিত গুম ও নির্যাতন এবং রামপুরার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অপরাধ মামলার অভিযোগে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে কারাগার থেকে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১২ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাশার রোড সংলগ্ন ‘এম ই এস বিল্ডিং নম্বর-৫৪’-কে সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হলো। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে ১৪ অক্টোবর।

সাব-জেলের তত্ত্বাবধানে ৩৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আসামিদের খাবার, দেখা এবং অন্যান্য কার্যক্রম কারাবিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। বাইরে থেকে খাবার আনা বা সাক্ষাৎ করা হবে বিধি অনুযায়ী। সাব-জেলটি তৃতীয় তলায় অবস্থিত, ১৬টি কক্ষে প্রতি কক্ষে একজন করে বন্দি থাকবেন।

খাবার ব্যবস্থা তিনবেলা: সকালবেলায় রুটি ও সবজি, দুপুরে ডাল, ভাত, সবজি ও মাছ/মাংস, এবং রাতে মাছ/মাংস ও সবজি। চা পান করারও ব্যবস্থা রয়েছে। রুমে একটি বিছানা, চেয়ার, টেবিল, পত্রিকা ও ফ্যান রয়েছে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার এবং জেলা জেল সাব-জেলের তদারকি করবেন। এছাড়া একজন ডেপুটি জেলা অফিসার সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। ডেপুটি জেলারা স্থায়ী নয়, কয়েকদিন পরপর পরিবর্তন হবে।

আইজি (প্রিজন্স) জান্নাতুল ফরহাদ বলেন, বুধবার আমরা আসামিদের পুলিশের কাছ থেকে বুঝে পেয়েছি। আসামিরা এখন আমাদের অধীন সাব-জেলে আছেন। পরবর্তী সময়ে যখন তাদের আদালতে হাজিরা থাকবে, তখন পুলিশ হেফাজতে আদালতে নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারাবিধি অনুযায়ী তাদের খাওয়াদাওয়াসহ সব ধরনের ব্যবস্থা করছে কারা কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, ১৫ সেনা কর্মকর্তা সেনানিবাসে বাশার রোডের সাব-জেলেই থাকবেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার এবং জেলার সাব-জেলটি তদারকি করবেন। এছাড়া সার্বক্ষণিক একজন ডেপুটি জেলার সেখানে ডিউটি অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সাব-জেলে নিয়োজিত করা হয়েছে। কারাবিধি অনুযায়ী অন্যান্য ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের মতোই সুবিধা পাবেন এখানকার বন্দিরা।

আসামিরা হলেন- মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন