

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত ফুটপাতের খাবার দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’ ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) এক কর্মকর্তা রোববার (২৩ আগস্ট) বলেন, দুপুরের আগে কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
কারামুক্ত হয়েই মিজান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ঢাকা শহরে ফুটপাতে একটা দোকান থাকলে, মিজানেরটাও থাকতে হবে। এটাই আমার চাওয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর নাহলে এদেশে মানবতার কোনো বেইল (মূল্য) নাই। আমি চাই, আমার হোটেলটা যেভাবে ভাঙা হয়েছে, সেভাবে যেন আবার গড়ে তোলার জায়গাটা হয়।’
কারাগার সূত্র জানায়, নির্দিষ্ট মেয়াদের সাজা ভোগ শেষে আজ সকালে মিজানকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, আগারগাঁও এলাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রোববার ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় আগারগাঁও এলাকায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে যান। এ সময় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন মিজান। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান মিজান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় সেটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। দোকানটির নাম দেওয়া হয়েছিল-‘নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন’। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটি ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়।
দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।


