

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা ও জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন যদি মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী হয়, তাহলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান। একটি বিশেষ নোটে প্রতিষ্ঠানটি এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
জেপি মরগানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নিকট ভবিষ্যতেই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।
ব্যাংকটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের মূল ধারণা হলো—হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া সংকট শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধানের দিকে যাবে। তবে সেই সমাধান না আসা পর্যন্ত বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে ঘাটতি এবং মজুত কমে যাওয়ার কারণে দাম উচ্চ পর্যায়েই থাকবে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় জেপি মরগান পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ জুন মাস পর্যন্ত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে। বছরের শেষার্ধে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে এবং প্রণালিটি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলে তেলের দাম আবার কমতে শুরু করতে পারে।
তবে ব্যাংকটি একটি বড় ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, তেলের এই উচ্চমূল্য কতদিন স্থায়ী হবে তার ওপর নির্ভর করছে বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎ। যদি দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম চড়া থাকে, তবে বিশ্বজুড়ে পণ্য ও সেবার চাহিদা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত একটি বৈশ্বিক মন্দার পথ প্রশস্ত করবে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। তেলের বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কেবল উন্নয়নশীল দেশগুলো নয়, বরং উন্নত বিশ্বের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্যও বড় ধরনের ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: রয়টার্স।
মন্তব্য করুন
