

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হরমুজ প্রণালীতে শিপিংয়ের বিঘ্ন ঘটার কারণে কুয়েত তেল উৎপাদন কমিয়েছে। মঙ্গলবার ( ২৪ মার্চ ) কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এক বিবৃতিতে তথ্য জানান।
বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা শিপিং রুটগুলোর লক্ষ্যবস্তু হওয়ার কারণে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে এবং এটিকে ‘একটি ব্যাপক উত্তেজনা যা বৈশ্বিক শক্তির বাজারের স্থিতিশীলতাকে হুমকি দেয়’ বলেও উল্লেখ করেছে।
তারা আরও বলেছে, ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ শেষ হলে উৎপাদন ‘আপেক্ষিকভাবে দ্রুত’ পুনরায় শুরু করা যেতে পারে এবং ৩-৪ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ উৎপাদনে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। কিন্তু কোম্পানিটি নতুন উৎপাদন মাত্রা প্রকাশ করেনি।
১০ মার্চ কুয়েত তাদের উৎপাদন দিন প্রতি ৫০০,০০০ ব্যারেল কমিয়ে দিয়েছে, যা যুদ্ধের আগে ৩০০ লাখ ব্যারেল ছিল।
হরমুজ প্রণালী মার্চ মাসের শুরু থেকে কার্যত বিঘ্নিত হয়েছে। সাধারণত এখানে প্রতিদিন ২০০ লক্ষ ব্যারেল তেল পারাপার হয়। বিঘ্নিত হওয়ার ফলে শিপিং খরচ বাড়ছে এবং বৈশ্বিক তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর যৌথ আক্রমণ শুরু করার পর থেকে একটি আঞ্চলিক উত্তেজনা চলমান। এই যুদ্ধ এখন পর্যন্ত ১,৩৪০ জনের বেশি প্রাণহানি ঘটিয়েছে, এর মধ্যে ছিলেন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও।
তেহরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে হতাহতের ঘটনা এবং অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র- আনাদোলু এজেন্সি
মন্তব্য করুন
