

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কৃষি খাতে ঋণের খরচ কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় দেওয়া ঋণে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদ বা মুনাফা নেওয়া যাবে।
রোববার (৩০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ-১ থেকে এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা জারি করা হয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৩ শতাংশ সুদ বা মুনাফা হারে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে। পরে গ্রাহকদের দেওয়া ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদ নিতে পারবে। শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রেও মুনাফার হার একই সীমার মধ্যে রাখতে হবে।
খাত ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী ঋণের মেয়াদ নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নির্দিষ্ট কিছু খাতে ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ১৮ মাস। এসব ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিন মাস গ্রেস পিরিয়ড দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
অন্যদিকে, অন্যান্য নির্ধারিত খাত ও প্রকল্পের জন্য ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩৬ মাস করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া যাবে।
পুনঃঅর্থায়ন নেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করতে হবে। এর মধ্যে থাকবে ঋণের আসল এবং বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত ৩ শতাংশ সুদ বা মুনাফা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অমান্য করে গ্রাহকের কাছ থেকে ৭ শতাংশের বেশি সুদ বা মুনাফা আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত আর্থিক দায় আরোপ করা হবে।
এ ছাড়া পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের অর্থ নির্ধারিত উদ্দেশ্যে ব্যবহার না হলে সংশ্লিষ্ট অর্থের ওপর নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত ২ শতাংশ সুদ বা মুনাফা এককালীনভাবে আদায় করা হবে।
গ্রাহকেরা যাতে সহজেই এই ঋণের সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারেন, সে জন্য ব্যাংকের শাখার ভেতরে ও বাইরে দৃশ্যমান স্থানে ৭ শতাংশ সুদ বা মুনাফায় ঋণ দেওয়ার তথ্যসংবলিত ব্যানার টানাতে হবে। পাশাপাশি প্রচারণার মাধ্যমে সম্ভাব্য গ্রাহকদের এ সুবিধা সম্পর্কে জানাতে হবে।
সংশোধিত নির্দেশনায় যেসব পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেগুলো ছাড়া আগের সার্কুলারে থাকা অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


