

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এপ্রিলে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবার বেড়েছে। গত এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উভয় খাতেই পণ্যের দাম বাড়ার কারণে মূলস্ফীতি ফের বেড়েছে। এর আগের মাস মার্চে এসে কিছুটা কমলেও এক মাস পরই মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেল। এতে চাপে পড়েছে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ।
বুধবার (০৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য থেকে এই খবর পাওয়া যায়। বিবিএসের তথ্য বলছে, এক মাস আগে অর্থাৎ মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। আর ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।
৯ দশমিক ০৪ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হার দিয়ে বোঝা যায় গত এপ্রিল মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরের এপ্রিলে পেতে খরচ করতে হয়েছে ১০৯ টাকা ০৪ পয়সা।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি খাদ্যপণ্যসহ সকল দ্রব্যের দাম বাড়ার আশঙ্কার কথা আগেই বলেছিলেন সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী। মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য বলছে, এপ্রিল মাসে দাম বেড়েছে খাদ্যপণ্যে ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই। তাও বেশ বড় ব্যবধানে।
এপ্রিলে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে এপ্রিলে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় টানা চতুর্থ মাস মূল্যস্ফীতি বেড়ে ফেব্রুয়ারি মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে উঠেছিল। মূল্যস্ফীতির এই হার গতবছরের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। ওই সময় এ হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। মে মাসে তা কমে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ হয়েছিল।
এরপর তা কমতে কমতে গতবছর অক্টোবর মাসে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে এসেছিল, যা ৩৯ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। পরবর্তীতে ফের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির। গতবছর নভেম্বরে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ডিসেম্বরে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশের পর জানুয়ারিতে এই হার ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছায়। ফেব্রুয়ারিতে তা এক লাফে ৯ শতাংশে পৌঁছানোর পর ফের মার্চে ৮ শতাংশের ঘরে আসে মূল্যস্ফীতি। তবে এক মাসের ব্যবধানেই ফের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির পারদ।