

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই নতুন বেতন কাঠামো প্রস্তাব করতে সাধারণ মতামত গ্রহণ শুরু করেছে জাতীয় বেতন কমিশন।
গত বুধবার (১ অক্টোবর) থেকে কমিশনের ওয়েবসাইট paycommission2025.gov.bd-এ গিয়ে মতামত দেওয়া যাচ্ছে। চারটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৩২টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে অংশগ্রহণকারীদের।
এসব প্রশ্নের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে ১১ নম্বর প্রশ্ন-প্রস্তাবিত পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল বেতনের অনুপাত কী হওয়া উচিত? উত্তরের জন্য রাখা হয়েছে চারটি অপশন-১:৮, ১:১০, ১:১২ এবং অন্যান্য। অর্থাৎ সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন যদি ১ টাকা ধরা হয়, তবে সর্বোচ্চ গ্রেডে তা হতে পারে ৮, ১০ বা ১২ টাকা।
উদাহরণস্বরূপ, যদি সর্বনিম্ন বেতন ১৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়, তাহলে ১:৮ অনুপাতে সর্বোচ্চ হবে ১ লাখ ২৮ হাজার, ১:১০ অনুপাতে ১ লাখ ৬০ হাজার এবং ১:১২ হলে দাঁড়াবে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
তবে নিচের গ্রেডের কর্মচারীরা মনে করছেন, অনুপাত কমালেও উচ্চপদস্থদের তুলনায় তাদের আর্থিক সংকট কাটবে না। কারণ নতুন পে-স্কেল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।
বর্তমানে গ্রেড-১ ও গ্রেড-২০-এর বেতনের অনুপাত প্রায় ১০:১। কমিশনের ধারণা, নতুন কাঠামোতেও এই অনুপাত ৮:১ থেকে ১০:১ এর মধ্যে থাকবে। প্রতিবেশী ভারতসহ অন্য দেশেও এ ধরনের অনুপাত চালু রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই ২০২৫ সালে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে সভাপতি করে জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ গঠন করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আর পরবর্তী সরকার পর্যন্ত অপেক্ষা করবে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তিনি জানান, ২০২৬ সালের শুরু থেকেই (জানুয়ারি-মার্চের মধ্যে) নতুন কাঠামো কার্যকর হতে পারে, আর এজন্য চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ রাখা হবে।
মন্তব্য করুন
