

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আপনারা যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। জনগণ আপনাদের উপর আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার মূল্য আপনাদের দিতে হবে। আপনাদের কর্মকান্ডে তা প্রতিফলন করতে হবে। জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে হবে। ধমকায়, পিটিয়ে নির্যাতন করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। তাহলে তো হাসিনাই টিকে থাকতো। হাসিনা টিকে থাকতে পারছে কি? পারেনি। পালিয়ে গেছে, এমনভাবে পালিয়ে আর আসতে পারে না। শুধু একা পালিয়ে যায়নি সঙ্গে তার সাঙ্গপাঙ্গকে নিয়ে পালিয়েছে। আমরা এ অবস্থা চাই না।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বাংলাদেশে একটা সুন্দর সুষ্ঠু সহনশীল গণতান্ত্রিক রাজনীতি চাই। আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকান্ড করতে দিতে চাই, তাদের বক্তব্য রাখতে দিতে চাই, জনগণের সামনে আসতে দিতে চাই। আমরা সংসদকে কার্যকরী করতে চাই। সকল রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু যেন হয় সেটা আমরা চাই। অর্থাৎ দেশটাকে আমরা সত্যিকারে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করতে চাই। এবং সমগ্র বাংলাদেশে যারা আমাদের সমর্থন দিয়েছে যে যে রাজনৈতিক দল গুলো সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।
ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল্লীকে নতুন উপজেলা করায় এলাকাবাসীর আয়োজনে রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বুধবার (৩ জুন) বিকেলে প্রধাণ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, এখন আমরা শান্তিতে দম ফেলতে পারছি। আগে ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনে আমাদের নেতা কর্মীরা রাতে ঘুমাতে পারতো না। পালিয়ে বেড়াত, ধান ক্ষেতে, ভুট্টা ক্ষেতে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতো। শীতের দিনে গাছের উপর লুকিয়ে থাকত। এবং কারাগারে নির্যাতন করা হতো। আমরা ভুলিনি সেই সব কথা, এই অবস্থার পর দাঁড়িয়ে আজ আমরা এখানে এসেছি। আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস প্রাপ্ত, ফ্যাসিস্ট লুটেরা আমাদের সমস্ত ব্যাংক লুট করে নিয়ে গেছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
তিনি আরোও বলেন, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের কথা, কেউ ভোট দিতে পারেনি। আগের রাতেই ভোট হয়ে গিয়েছিল। এবারো তো নির্বাচন হলো, এ নির্বাচনে কোন কারচুপি হয়েছে? জনগণ ইচ্ছামতো ভোট দিয়েছে। জনগণ এবার বিএনপির উপর আস্থা রেখেছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বের উপর আস্থা রেখেছে। এবং দুই-তৃতীয়াংশ আসনের বেশি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে। একটি দল এমন একটা অবস্থা তেরী করেছিল, যেন বিএনপি নাই, তারেক রহমান নাই। আল্লাহর কি অশেষ রহম দেখেন মানুষভাবে এক আর হয় আরেক।