

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টাঙ্গাইলের সখীপুরে বন্যা (২৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোর রাতে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাহারতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত বন্যা উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের খালিয়ার বাইদ এলাকার খলিলুর রহমানের মেয়ে।
প্রায় তিন বছর আগে সখীপুর পৌরসভার কাহারতা গ্রামের মুন্না মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের আড়াই বছর বয়সী মাদিহা নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে কোনো এক সময়ে কাহারতা এলাকায় স্বামীর বাড়িতে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় বন্যাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।
পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে নিহতের স্বজনরা এ ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ। তাদের দাবি, বন্যার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
স্বজনদের সন্দেহ, তাকে হত্যা করে পরে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে স্বামী মুন্না মিয়া সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, রাত ১টা পর্যন্ত কাজ করে বাড়ি ফিরি। খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ি।
ভোররাতের দিকে মেয়ের নড়াচড়ার শব্দে ঘুম ভাঙে। তখন লাইট জ্বালিয়ে দেখি আমার স্ত্রী ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। আমাদের মধ্যে কোনো ঝগড়া-বিবাদ ছিল না।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।